জর্ডান ও লেবাননে দু’দিনব্যাপী সফর শুরু করেছেন জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল। বৃহস্পতিবার শরণার্থী সংকটসহ বেশ কিছু বিষয় নিয়ে রাষ্ট্রীয় শীর্ষ নেতাদের সাথে দেখা করার উদ্দেশ্যে এই সফর শুরু করেন তিনি। খবর ডয়েচে ভেলের।
খবরে বলা হয়, জর্ডানের বাদশাহ দ্বিতীয় আব্দুল্লাহ এবং লেবাননের প্রধানমন্ত্রী সাদ হারিরির সঙ্গে এ সফরে সাক্ষাতের কথা রয়েছে মার্কেলের৷ বিশ্লষেকদের ধারণা, তাদের বৈঠকে শিক্ষা, বিনিয়োগ ও গবেষণা নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত শরণার্থী সংকটই প্রাধান্য পাবে৷
সিরিয়ার যুদ্ধ এবং অস্থিতিশীল মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির কারণে জর্ডান এবং লেবাননে লাখ লাখ শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছে৷ নিজ দেশের জনসংখ্যার অনুপাতে দু’টি দেশই সর্বোচ্চসংখ্যক শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে৷
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার মতে, লেবাননে প্রতি ছজনের মধ্যে একজন সিরীয় শরণার্থী এবং জর্ডানে প্রতি ১১ জনে একজন৷
শরণার্থীদের সমস্যাটি জর্ডানে কেন্দ্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হলেও, লেবাননে এটি নিয়মতান্ত্রিক নয়৷ মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল অনুসারে, লেবানন-জর্ডানে সীমান্তের শরণার্থী শিবিরগুলোর অবস্থা ‘বীভৎস’৷
সিরিয়া যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর লেবানন ও জর্ডানের শরণার্থীদের সবচেয়ে বেশি সহায়তা করার ক্ষেত্রে জার্মানির অবস্থান আমেরিকার পরেই৷ ২০১২ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত জর্ডানকে মোট ১০৮ কোটি ইউরো এবং লেবাননকে ১২০ কোটি ইউরো সহায়তা দিয়েছে জার্মানি৷ এ সহায়তার সবচেয়ে বড় অংশটি খরচ হয়েছে শরণার্থী শিশুদের শিক্ষাদানে৷
ইত্তেফাক/ জেআর
