লৌহজংয়ে শুক্রবার গভীর রাতে দুটি বসতঘর ও মন্দির আগুনে পুড়ে গেছে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি। লৌহজং-তেউটিয়া ইউনিয়নের ঝাউটিয়া গ্রামের মৃত আয়নাল বেপারীর দুটি ও মনোরঞ্জন বর্মনের একটি বসতঘর এবং পারিবারিক একটি মন্দির ভস্মীভূত হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১১ লাখ টাকা বলে দাবি করেছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার দুটি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে তালাবদ্ধ ঘরগুলোতে প্রতিবেশীরা আগুন দেখতে পান। আগুন লাগার খবর পেয়ে জনবহুল এলাকার মানুষজন আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। শত শত মানুষ আগুন নেভানোর চেষ্টা চালায়, কিন্তু ঘরের উপর দিয়ে বিদ্যুতের খুঁটি থাকায় নেভানো সম্ভব হচ্ছিল না।
প্রতিবেশীরা অভিযোগ করেছেন, বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজনকে ফোন করলেও তা রিসিভ করেনি। লৌহজং থানার ওসি বিদ্যুৎ বিভাগকে ফোন দিলে তারা এসে বিদ্যুতের তার বিচ্ছিন্ন করে। কিন্তু ততক্ষণে সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এমনকি পার্শ্ববর্তী শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিসও দেরি করে রাত সাড়ে তিনটার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে।
এদিকে শনিবার বিকেলে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনির হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি তাৎক্ষণিক উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত দুটি পরিবারকে ৫ হাজার টাকা করে ও মন্দির পুননির্মাণে ৫ হাজারসহ মোট ১৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেন। পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্তদের আরও সহায়তা করা হবে বলে তিনি জানান।
ইত্তেফাক/নূহু
