এক মেয়র ও এক কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০১৮, ১৯:১৪
রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করে প্রার্থীরা প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন দুইজন। প্রার্থীতা ফিরে পাওয়া দুইজনের একজন মেয়র পদের এবং অপরজন সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদের প্রার্থী।
 
স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট মুরাদ মোরশেদ বামপন্থী দল গণসংহতি আন্দোলনের রাজশাহী জেলার সমন্বয়ক। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের প্রথম দিন গত রবিবার তার প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণা করেছিলেন রিটার্নিং অফিসার সৈয়দ আমিরুল ইসলাম। অন্যদিকে, প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া কাউন্সিলর প্রার্থী জিল্লুর রহমান নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিন গত সোমবার তার প্রার্থিতা বাতিল করেছিলেন রিটার্নিং অফিসার। 
 
জানা গেছে, মনোনয়নপত্রে মেয়রপ্রার্থী মুরাদ মোর্শেদের সমর্থকের স্বাক্ষর জাল থাকার অভিযোগে এবং জিল্লুর রহমান সিটি করপোরেশনের ঠিকাদার হওয়ায় প্রার্থিতা হারিয়েছিলেন। তবে দুই প্রার্থীই নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিভাগীয় কমিশনার নূর-উর-রহমানের কাছে আপিল করেন। সেখানে রিটার্নিং অফিসার ও প্রার্থীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত শুনানি শেষে তাদের প্রার্থীতা বৈধ বলে রায় দিয়েছেন বিভাগীয় কমিশনার। 
 
সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান বলেন, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে একজন মেয়র ও তিনজন কাউন্সিলর প্রার্থীর প্রার্থীতা বাতিল ঘোষণা করা হয়েছিল। সব প্রার্থীরই আপিলের সুযোগ থাকলেও শুধু একজন মেয়র ও একজন কাউন্সিলর প্রার্থীসহ দুইজন আপিল করেছিলেন। বুধবার সকালে শুনানি শেষে বিভাগীয় কমিশনার উভয়ে তাদের প্রার্থীতার বৈধতার পক্ষে প্রমাণ উপস্থাপন করায় প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন। ফলে রাসিক নির্বাচনে এখন ৬ মেয়র, ১৬৭ সাধারণ কাউন্সিলর ও ৫২ সংরক্ষিত কাউন্সিলর মিলিয়ে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ালো ২২৫-এ। 
 
স্বতন্ত্র প্রার্থী মুরাদ মোর্শেদ ছাড়া মেয়র পদের অন্যান্য প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামী লীগের এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, বিএনপির মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, জাতীয় পার্টির ওয়াসিউর রহমান দোলন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির হাবিবুর রহমান ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শফিকুল ইসলাম। আগামী ৯ জুালই পর্যন্ত প্রার্থতা প্রত্যাহারের সুযোগ রয়েছে। ১০ জুলাই প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হবে। ভোটগ্রহণ করা হবে ৩০ জুলাই। ৩০টি ওয়ার্ডে এবার ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৩৮টি। 
 
ইত্তেফাক/কেকে