ভুয়া খবরের দায়ে ভারতে প্রশ্নের মুখে হোয়াটসঅ্যাপ

আপডেট : ০৫ জুলাই ২০১৮, ০৮:৫৭
 
ভারতে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ছড়ানো গুজবের জেরে একের পর এক গণপিটুনির ঘটনার পর সরকার কার্যত ওই মেসেজিং প্ল্যাটফর্মটির কাছে কৈফিয়ত তলব করেছে। জবাবে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ সরকারকে চিঠি লিখে বলেছে, যেভাবে একটার পর একটা হিংসার ঘটনা ঘটছে তাতে তারাও ‘আতঙ্কিত’। সরকারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তারা এই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে প্রস্তুত। এই উদ্দেশ্যে শুধু ভারতের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ একটি নতুন লেবেল পরীক্ষা করছে বলেও জানিয়েছে।
 
সরকারকে লেখা চিঠিতে হোয়াটসঅ্যাপ বলেছে, তারা ভারতে এমন লেবেল চালু করতে চাইছে যাতে বোঝা যাবে একটা বার্তা কেউ নিজে লিখেছেন নাকি স্রেফ ফরোয়ার্ড করেছেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভুয়া বার্তার রমরমা ঠেকাতে এটুকুই যথেষ্ট নয়। সংশ্লিষ্ট দেশের আইনের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে আরো কিছু টেকনিক্যাল আপস হয়তো তাদের করতেই হবে।
 
গত কয়েকদিনে ছেলেধরা বা ওই জাতীয় গুজব ছড়িয়ে পিটিয়ে মানুষ মেরে ফেলার মতো ঘটনা ঘটেছে অন্ধ্র, মহারাষ্ট্র, আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, ছত্তিসগড়, গুজরাট, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গানার মতো বহু রাজ্যে। আর প্রায় সবক্ষেত্রেই গুজব ছড়ানোর মাধ্যম ছিল হোয়াটসঅ্যাপ। চ্যানেলে চ্যানেলে চলছে তুমুল আলোচনা। গণপিটুনি বা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধানোর অজুহাত হিসেবে কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজকে।-বিবিসি।
 
ইত্তেফাক/মোস্তাফিজ