তত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর চরভদ্রাসনে নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০১৮, ১৫:৩৫
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনের সদর ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গী ও ফাজেলাখারডাঙ্গীতে গত কয়েক দিনের অব্যাহত পদ্মা নদীর ভাঙনে সম্পূর্ন রুপে বিলীন হয়ে গেছে ১২টি বসত বাড়ি, ৩০বিঘা ফসলী জমি ও বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় তিন শতাধিক গাছপালা। এ ছাড়া ভাঙনের কবলে পড়ে সব মিলিয়ে ২০টি বাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে ১২টি বাড়ি সম্পুর্ণরূপে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো কেউ আত্মীয়ের বাড়ি আবার কেউ সরকারি রাস্তায় আশ্রয় নিয়েছে।
 
খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে বালিয়াডাঙ্গী ও ফাজেলখারডাঙ্গী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুল হাকীম। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন ‘আমি ভাঙন এলাকা গুলোর প্রতিটি যায়গা ঘুরে ভাঙনের তীব্রতা লক্ষ করেছি। উর্ধ্বতনদের সঙ্গে কথা বলে বালিয়ডাঙ্গী ও ফাজেলখারডাঙ্গী ভাঙন প্রশমিত করতে দ্রুত জিও ব্যাগের অস্থায়ী ডাম্পিং করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই উপজেলায় ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধের কাজ আগামী শুস্ক মৌসুমে শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে'।
 
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহামুদ ও উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ জহুরুল হক।
 
উল্লেখ্য, নদী ভাঙনের খবর পেয়ে গত মঙ্গলবার বালিয়াডাঙ্গী ও ফাজেলাখারডাঙ্গী পরিদর্শন করে নদী ভাঙনের ভয়াবহতা পর্যবেক্ষন করেন ফরিদপুর-৪ আসনের সাংসদ মুজিবুর রহমান চৌধুরী (নিক্সন)। এ সময় এমপি উপস্থিত এলাকাবাসীকে হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধারণ করতে বলেন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে খুব শিগগিরই নদী ভাঙন প্রতিরোধের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান।
 
ইত্তেফাক/নূহু