দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে ও নির্দেশনায় আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করে দুর্যোগ মোকাবেলা করা সম্ভব হচ্ছে। বৈশ্বিক উষ্ণতার কারনে অসময়ে বন্যা, খরা বজ্রপাতসহ নানা দুর্যোগ মানুষকে বিপদে ফেলছে। সেসব দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য তিন ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে দুর্যোগপূর্ব, দুর্যোগের সময় এবং দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্বাসন কাজ করা হচ্ছে। ফলে ক্ষয়ক্ষতি থেকে মানুষ রক্ষা পাচ্ছে।
তিনি সোমবার রংপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে চলতি বছরের বন্যা মোকাবেলার আগাম প্রস্তুতি নিয়ে সফরে এসে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির বিশেষ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণ ভান্ডার খালি নেই, যখন যা চাইবেন তার চেয়ে বেশি পাবেন, তবে চাহিদা থাকতে হবে। চাহিদার মাত্রা হতে হবে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য।
বিগত চার বছর সাত মাসে দেশের কোথাও ত্রাণ নিয়ে এদিক সেদিক হয়নি মন্তব্য করে মন্ত্রী মায়া বলেন, দলের নেতাকর্মীরা রিলিফ (ত্রাণ) বেহাত করেনি। ক্ষতিগ্রস্তরা পেয়েছেন। আগামীতেও ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সরকার থাকবে।
মন্ত্রী আগামী একাদশ নির্বাচনে সকলকে নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার আহবান জানান।
এ সময় জেলা প্রশাসক এনামুল হাবীবের সভাপতিত্বে মত বিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এইচ এন আশিকুর রহমান এমপি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের সচিব শাহ কামাল।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মহসীন, পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, রংপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাড. ছাফিয়া খানম, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মন্ডল, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নাছিমা জামান ববি ও প্রেস ক্লাব সম্পাদক রশীদ বাবু প্রমূখ।
এ সময় মন্ত্রী রংপুর জেলার জন্য ৬টি ইঞ্জিন চালিত নৌকা নির্মানের ৬ লাখ টাকা, ৫শ বান্ডিল ঢেউটিন, ১৫ লাখ টাকা, তিন হাজার শুকনো খাবারের প্যাকেট ও ২শ মেট্রিকটন চাল জেলার ত্রাণ ভাণ্ডারে পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য নগদ বরাদ্দ করেন।
ইত্তেফাক/নূহু
