বৃদ্ধাকে ‘ধর্ষণ চেষ্টা ও শ্বাসরোধে খুন’-এর অভিযুক্ত ব্যক্তি গণপিটুনিতে নিহত

আপডেট : ১৭ জুলাই ২০১৮, ১৭:২৪

যশোরে বৃদ্ধাকে ‘ধর্ষণ চেষ্টার পর শ্বাসরোধে খুন’ ঘটনায় অভিযুক্ত ইরাদত আলী গণপিটুনির শিকার হয়ে নিহত হয়েছেন। সোমবার রাতে সদর উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামে গণপিটুনির শিকার হয় সে। এরপর তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানে তিনি মারা যান। ইরাদত খান সদর উপজেলার জগনাথপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।

যশোরের বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই হায়াৎ মাহমুদ মঙ্গলবার ইরাদতের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।

এলাকাবাসী ও পুলিশের ভাষ্য, ১৬ জুলাই সোমবার দুপুরে ইরাদত ওরফে ইরাদ প্রতিবেশী মেহেরুন নেছা নামে এক বৃদ্ধাকে ভাত রান্নার কথা বলে বাড়িতে ডেকে নেয়। এরপর বিকেল থেকে ওই বৃদ্ধাকে খুঁজে না পাওয়ায় প্রতিবেশীরা ইরাদতকে সন্দেহ করে। স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে সে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলতে থাকে। এতে উত্তেজিত হয়ে লোকজন তাকে মারপিট করে। মারপিটের একপর্যায়ে সে স্বীকার করে, ওই বৃদ্ধার লাশ তার বাড়ির পাশে মুরগির ঘরে প্লাস্টিকের বস্তার মধ্যে রয়েছে। পুলিশ সেখান থেকে বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করে।

এরপর গণপিটুনির শিকার হয় ইরাদত। সোমবার রাত ১১টার দিকে মুমূর্ষু অবস্থায় পুলিশ ইরাদকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেয়। কিছুক্ষণ পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এসআই হায়াৎ মাহমুদ জানান, ইরাদতকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার সারাদেহে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার ডান পা ভাঙা ছিল।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইরাদত এলাকায় খুব খারাপ প্রকৃতির লোক বলে পরিচিত। বছরখানেক আগে সে একই এলাকার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী সুরাইয়াকে ধর্ষণের পর হত্যা করার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিল। মাস ছয়েক আগে হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে সে এলাকায় ফিরেছিল।

ইত্তেফাক/নূহু