ইরাকে সহিংস বিক্ষোভ, জনশক্তি প্রেরণ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা

আপডেট : ১৭ জুলাই ২০১৮, ২২:০৩
কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিতে ইরাকে সহিংস বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। নিরাপত্তারক্ষী বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সহিংসতায় মঙ্গলবার পর্যন্ত কমপক্ষে ৮ জন নিহত ও অর্ধ-শতাধিক আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে ওঠায় কুয়েত ও জর্ডান সরকার ইরাকের নাজাফ এয়ারপোর্টসহ কয়েকটি এয়ারপোর্টে ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা করেছে। ইরাক সরকারও তাদের কয়েকটি এয়ারপোর্ট অস্থায়ীভাবে বন্ধ রেখেছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে ইরাকে কর্মী পাঠানোর সুযোগ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
 
যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইরাকের পুনর্গঠনে বিদেশ থেকে কর্মী নিচ্ছে সে দেশের সরকার। গত ছয় মাসে বাংলাদেশ থেকে ৮ হাজারের বেশি কর্মী কাজের জন্য দেশটিতে গেছেন। তবে অভিযোগ রয়েছে যে, কর্মীরা রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে ইরাকস্থ বিদেশি কোম্পানিতে কাজ করতে গেলেও চাহিদাপত্রে উল্লেখিত বেতনের চেয়ে কম বেতন পাচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে মালয়েশিয়াতে কর্মী প্রেরণকারী সিন্ডিকেট চক্রের কয়েকটি রিক্রুটিং এজেন্সিও যুক্ত বলে জানা যায়। 
 
জনশক্তি রপ্তানি খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইরাক পুনর্গঠনে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ চলছে। এ অবস্থায় নিরাপত্তার দিক বিবেচনায় রেখে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কর্মী প্রেরণে পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দ্রুত ইরাকের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছে সরকার। অন্যান্য দেশের মতো ইরাকেও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কর্মী প্রেরণে সরকার কাজ করছে। 
 
ইত্তেফাক/এমআই