মির্জাপুরে হাসপাতালে ঢুকে রোগীর ওপর হামলা

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০১৮, ১৮:১২

সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত এক অসুস্থ রোগীর ওপর একদল সন্ত্রাসী চিকিৎসকের উপস্থিতিতে হামলা চালিয়েছিল। এ ঘটনার ৭ দিন পার হলেও অপরাধীরা গ্রেফতার হয়নি।

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট জামুর্কি সরকারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভিতরে গত বৃহস্পতিবার এ অমানবিক ঘটনা ঘটে। আজ বুধবার অসুস্থ ও হামলার শিকার আশিক (২০) ও তার পরিবার হাসপাতালে সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ তুলে ধরেন।

মির্জাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ ও পুলিশ সূত্র জানায়, আশিকের পিতার নাম মোঃ মজনু মিয়া। বাড়ি দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটি গ্রামে। গত বৃহস্পতিবার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সংযোগ রোড পাকুল্যা-লাউহাটি সড়কের গল্লী এলাকায় আসিকের(২০) মোটর সাইকেল ও বিপরীত দিক থেকে আসা নুরনবীর (২২) মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে আশিক গুরুতর ও নুরনবী সামান্য আহত হন। নুরনবী স্থানীয় এক ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে যান। গুরুতর অবস্থায় আশিককে অজ্ঞাত হিসেবে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে জামুর্কি সরকারী হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ভর্তি করে।

এদিকে নুরনবী সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে এই ঘটনা তার আত্বীয় স্বজন জানতে পেরে বিকেলে জামুর্কি হাসপাতালে ছুটে এসে চিকিৎসক মোঃ আওলাদ হোসেনের উপস্থিতিতে অসুস্থ আশিকের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা জামুর্কি গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে মজনু (৩৬) ও তার সহযোগীরা বলে হাসপাতাল ও আসিকের পরিবার অভিযোগ করেন।

এ হামলায় মাথায় ও কানে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে আশিক আরও অসুস্থ হয়ে পড়ে। হামলায় আশিকের অবস্থার আরও অবনতি হলে চিকিৎসকগণ তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমুদিনী হাসপাতালে পাঠান।

এ দিকে এই হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে আশিকের পিতা মোঃ মজনু মিয়া বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের পর মির্জাপুর থানার পুলিশ অফিসার এসআই কমল সরকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে হামলাকারী মজনু, নুরনবীসহ তাদের সহযোগীরা পালিয়ে গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম মিজানুল হক মিজান বলেন, অভিযোগের পর হামলাকারীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ইত্তেফাক/নূহু