নোয়াখালী জেলাধীন বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে ২৫ জুলাই উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ও আশপাশের সন্ত্রাসীদের আনাগোনা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভোটার ও সাধারনের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। চেয়ারম্যান পদে নৌকা ও ধানের শীষ মার্কা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী দুইজন ছাড়াও আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা, বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মহিউদ্দিন (মক্কামহিন) ৬মে মৃত্যুবরণ করলে পদটি শুন্য হয়। সে প্রেক্ষিতে ২৫ জুলাই উক্ত পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নৌকা মার্কা নিয়ে মো. শাহাদাত হোসেন রশীদ, ধানের শীষ নিয়ে নিজাম উদ্দিন ও অপরপ্রার্থী কাজী ফিরোজ (চশমা) মার্কা নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগের অভিযোগ, নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় ও আশপাশের এলাকার সন্ত্রাসীরা এক প্রার্থীর সমর্থনে নির্বাচনী এলাকায় এসে তোড়জোর চালাচ্ছে।
আওয়ামী লীগ আরও অভিযোগ করে, স্বতন্ত্র প্রার্থী জামায়াতের সক্রিয় সদস্য ছিল। নিজেকে বাঁচানোর জন্য আওয়ামী লীগের এক নেতার হাত ধরে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে স্বতন্ত্র ভোট করছে। সে সন্ত্রাসীদের দিয়ে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে পারে। স্বতন্ত্র প্রার্থীকে একাধিকবার ফোনে চেষ্টা করে পাওয়া যায় নি।
নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী মো. শাহাদাত হোসেন রশীদ জানান, সন্ত্রাসীরা যেভাবে মহড়া দিচ্ছে তাতে ভোটারদের মনে ভীতির সঞ্চার হচ্ছে। ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারলে তার পক্ষেই ফলাফল আসবে বলে জানান। একই কথা বলেন, ধানের শীষ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী নিজামউদ্দিন।
এ ব্যাপারে বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাকির হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ছয়ানি ইউনিয়নে ৯টি কেন্দ্রে ২৭ হাজার ভোটার রয়েছে। নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয় সেইজন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থ্যা করা হচ্ছে। কাউকে কোন প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।
বেগমগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইন চার্জ মো. ফিরোজ হোসেন মোল্লা জানান, আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় যাবতীয় প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে।
ইত্তেফাক/এমআই
