গোপালগঞ্জে প্রতারক আটক

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০১৮, ১৯:১৬

গোপালগঞ্জে চাকরি দেওয়ার নামে ২ যুবকের কাছ থেকে ১৮ লাখ টাকার চেক ও স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা আদায়ের অভিযোগে প্রতারক মোঃ হায়দার আলীকে আটক করেছে পুলিশ।

আজ সোমবার গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে সহকারী পুলিশ সুপার (সদর) ইয়াকুব হোসেন, এসআই রনি, মাসুম, এএসআই সাইফুল, কং শরীফসহ একদল পুলিশ গোপালগঞ্জ শহরের পার্শবর্তী ঘোষেরচর এলাকা থেকে তাকে আটক করে। হায়দার আলী কাশিয়ানী উপজেলার নিজামকান্দি গ্রামের আঃ আলী ফকিরের ছেলে।

সহকারী পুলিশ সুপার (সদর) ইয়াকুব হোসেন জানান, চলতি ২০১৮ সালে গোপালগঞ্জ জেলায় কনস্টেবল নিয়োগের সময় কনস্টেবল পদে চাকরীপ্রার্থী কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা গ্রামের বাবুল ঠাকুরের ছেলে মামুন ঠাকুর, টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বর্ণি গ্রামের বাদশা ফকিরের ছেলে হামিম ফকিরের কাছ থেকে কনস্টেবল পদে চাকরী দেওয়ার কথা বলে ৯ লাখ করে ১৮ লাখ টাকার চেক ও ২০ লাখ টাকা মূল্যের ২ টি নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা গ্রহণ করে।

চাকরি হওয়ার পর ১৮ লাখ টাকা নগদ পরিশোধ করে চেক ও স্ট্যাম্প ফেরত নেবে বলে শর্ত ছিলো। কিন্তু চাকরি না হওয়ায় মামুন ও হামিম তাদের চেক ও স্ট্যাম্প হায়দারের ফেরত চায়। প্রতারক হায়দার আলী ২০ লাখ টাকা আদায়ের জন্য মামুন ও হামিমের বিরুদ্ধে স্ট্যাম্প ও চেক দিয়ে কোর্টে মামলা দায়ের করে। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে অভিযোগ পেয়ে প্রতারক হায়দারকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ১৮ লাখ টাকার চেক ও ২০ লাখ টাকা মূল্যের স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা উদ্ধার করা হয়। হায়দার এ ঘটনার সত্যতা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে।

গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ সাইদুর রহমান খান ১শ টাকায় কনস্টেবল পদে চাকরি দিয়েছেন। গোপালগঞ্জে পুলিশে সম্পূর্ন মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি দেওয়া হয়। তাই প্রতারণার অভিযোগ পেয়ে পুলিশ সুপারের নির্দেশে এ প্রতারককে আটক করা হয়েছে।

ইত্তেফাক/নূহু