বরিশালে প্রচারণায় ১৪ দল ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০১৮, ০২:১৭
বরিশাল সিটি নির্বাচনে গতকাল মঙ্গলবার প্রচারণায় ছিলেন ১৪ দল ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা। ১৪ দলের নেতৃবৃন্দ আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীর পক্ষে পথসভা করেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা দলটির মেয়র প্রার্থীর সঙ্গে প্রচারণায় অংশ নেন।
 
আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বৃষ্টিতে ভিজে নগরীর হযরত কালুশাহ সড়কের রিফিউজি কলোনি, কাজীপাড়ার মানুষের খোঁজ খবর নেন। এছাড়াও তিনি হাঁটু সমান পানিতে নেমে পলাশপুর, মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। গণসংযোগকালে  তিনি বলেন, দেশ গড়তে নৌকার বিকল্প নেই। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নৌকাকে  বিজয়ী করার অনুরোধ জানান তিনি। অপরদিকে ১৪ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা নগরীর বিভিন্ন স্থানে পথসভা করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন গণ আজাদী লীগের মহাসচিব মুহম্মদ আতা উল্লাহ খান, গণতন্ত্রী পার্টির খাইরুল আলম, জাতীয় পার্টি জেপি’র বরিশাল নগর সভাপতি ডা. মনিরুজ্জামান মনির, ন্যাপের সভাপতি দাশগুপ্ত আশিষ কুমার, জাসদের শান্তি দাস, ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সভাপতি অধ্যাপক নজরুল হক নিলু প্রমুখ। ১৪ দলের পথ সভায় বক্তৃতা করেন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার প্রমুখ।
 
বিএনপি’র প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ারও বৃষ্টি উপেক্ষা করে নগরীর বর্ধিত এলাকা ২৬নং ওয়ার্ডের কালিজিরা, ২৭নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ করেন। এসময় বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমান, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এসময় তারা দলের চেয়ারপার্সনের মুক্তিসহ নানান ইস্যু ভোটারদের কাছে তুলে ধরেন।
 
ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী হাফেজ মাওলানা ওবাইদুর রহমান মাহবুব, জাপা প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস, বাসদ প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্তী, সিপিবি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদও বৃষ্টি উপেক্ষা করে নগরীতে গণসংযোগ করেছেন।
 
বিএনপি চার কর্মীকে জরিমানা: রাত ৮টার পরে কোনো প্রচার-প্রচারণা চালানো যাবে না। এই আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বিএনপির মেয়র প্রার্থীর চার কর্মীকে পাঁচ হাজার টাকা করে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার রাত ৯টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ জরিমানা করে।
 
বিবাদে কাউন্সিলর প্রার্থীরা: ২১নং ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বী কাউন্সিলর প্রার্থীকে ফাঁসাতে টাকা দিয়ে ভোট কেনার নাটক করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কাউন্সিলর প্রার্থী আলতাফ মাহমুদ সিকদারকে ফাঁসাতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সাঈদ আহমেদ মান্নান এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানিয়েছেন ঘটনার শিকার জালাল ফকির। ২৪নং ওয়ার্ড, ১১নং ওয়ার্ড, ১৪নং ওয়ার্ড, ৮নং ওয়ার্ড ও ৬নং ওয়ার্ডসহ বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডেও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা বিবাদে লিপ্ত হচ্ছেন।