চলন্তবাসে নারী গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০১৮, ১৬:২৩

চলন্তবাসে শিউলী আক্তার(২৬) নামের এক নারী গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাওয়ার কুমারজানি এলাকায় বর্বর এ অমানবিক ঘটনাটি ঘটেছে।

পুলিশ ঘটনাস্থল(মহাসড়কের পাশ থেকে) ঐ গার্মেন্টস কর্মীর লাশ উদ্ধার করলেও যাত্রীবাহী বাস ও ধর্ষণকারীদের আটক করতে পারেনি।

পুলিশ সূত্র জানায়, শিউলী আক্তারের স্বামীর নাম মোঃ শরিফ মিয়া। বাড়ি মির্জাপুর উপজেলার পুষ্টকামুরী চরপাড়া গ্রামে। তার পিতার নাম মোঃ আলেফ খান, বাড়ি একই উপজেলার রোয়াইল গ্রামে।

শিউলীর চাচাতো ভাই মোঃ মালেক মিয়া জানায়, শিউলী গোড়াই শিল্পাঞ্চলের কম্পিট কম্পোজিট গার্মেন্টসে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে গার্মেন্টসে যাওয়ার জন্য ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চরপাড়া নামক স্থানে এলে তাদের বহনকারী বাস এসে দাঁড়ায়। কিন্ত ভুলক্রমে আইডি কার্ড বাড়িতে রেখে আসায় তিনি ঐ বাসে না উঠে বাড়ি চলে যান। বাড়ি গিয়ে আইডি কার্ড নিয়ে এসে রাস্তার পাশে দাড়ান গার্মেন্টসে যাওয়ার জন্য। এ সময় টাঙ্গাইল থেকে কালিয়াকৈর-চন্দ্রাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসকে থামানোর জন্য হাত দিয়ে ইশারা করলে বাসটি থামায়। তিনি বাসে উঠে দেখতে পান অন্য কোন যাত্রী নেই। এই সুযোগে বাসের হেলপার ও সুপারভাইজারসহ কয়েকজন মিলে শিউলীকে বাসের মধ্যে ধর্ষণ করে। বাওয়ার কুমারজানি নামক স্থানে বাসটি এলে কয়েকজন কৃষক বাসে চিৎকারের শব্দ শুনে রাস্তার পাশে ছুটে এলে ধর্ষণকারীরা শিউলীকে হত্যার পর বাস থেকে ফেলে দিয়ে চলে যায়।

আশপাশের লোকজন ছুটে এসে লাশ দেখতে পেয়ে হাইওয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে গোড়াই হাইওয়ে থানায় নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানায় যোগাযোগ করা হলে ডিউটি অফিসার এএসআই লিপি আক্তার বলেন, মহিলার লাশ উদ্ধার করে হাইওয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। থানায় এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি।

ইত্তেফাক/নূহু