কুমিল্লায় পুলিশের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' ২ ডাকাত নিহত, ৪ পুলিশ আহত

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০১৮, ১১:৩৩
কুমিল্লায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' আল আমিন ও এরশাদ নামের ২ ডাকাত নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে জেলার তিতাস উপজেলার বাতাকান্দি-আসমানিয়া বাজার সড়কের নারায়ণপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
 
এ সময় ৪ ডিবি পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও গুলিসহ আরও ৫ ডাকাতকে আটক করেছে।
 
অভিযানে অংশ নেয়া ডিবির এসআই শাহ কামাল আকন্দ জানান, ডাকাতি প্রতিরোধে ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন মৃধার নেতৃত্বে তিতাস এলাকায় পুলিশের একটি টিম অবস্থান করছিল। গভীর রাতে ওই উপজেলার বাতাকান্দি-আসমানিয়া বাজার সড়কের নারায়ণপুর কবরস্থানের সামনের রাস্তায় ডাকাতির প্রস্তুতির খবর পেয়ে ডিবির টিমটি রাত আড়াইটার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
 
তিনি আরও জানান, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল এলোপাতাড়ি গুলি ও ইট-পাথর নিক্ষেপ করতে থাকে। এক পর্যায়ে পুলিশও আত্মরক্ষার্থে ২১ রাউন্ড শর্টগানের গুলি চালায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ৭ ডাকাতকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত আল আমিন ও এরশাদ নামের ২ ডাকাতকে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেয়ার পর ডাক্তার তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
 
আল-আমিন কাউছার (৩০) উপজেলার উত্তর মানিকনগর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে এবং এরশাদ (৩২) জেলার বুড়িচং উপজেলার কংশনগর গ্রামের চরেরপাড় গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে।
 
আটক ডাকাতরা হচ্ছেন- সদর উপজেলার ভাটপাড়া গ্রামের মৃত আবুল হোসনের ছেলে  আরঙ্গজেব (৫০), সদর দক্ষিণ উপজেলার মিলন (৩৫), একই উপজেলার নাছির (২৭), তিতাসের শরীফুল (২৯) এবং মুরাদনগর উপজেলার আবু মিয়া (৪০)।
 
ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২টি দেশি তৈরি এলজি, ৪ রাউন্ড কার্তুজ, ৩টি ছোরা,৭টি মুখোশ ও ২টি লোহার রডের টুকরা।
 
বন্ধুকযুদ্ধের সময় ডিবির এসআই মোহাম্মদ শাহ কামাল আকন্দ পিপিএম, এসআই মো. সহিদুল ইসলাম পিপিএম, কনস্টেবল রুবেল মজুমদার এবং মো. সুমন আহত হয়েছেন।
 
ডিবির ওসি নাছির উদ্দিন মৃধা জানান, এরশাদের বিরুদ্ধে ৯টি এবং কাউছারের বিরুদ্ধে ৫টি ডাকাতি মামলা বিচারাধীন এবং আটককৃত ডাকাতদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ৩/৪ করে মামলা রয়েছে। নিহত ২ ডাকাতের লাশ শুক্রবার সকালে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নেয়া হয়েছে।
 
ইত্তেফাক/আরকেজি