অবশেষে পরীক্ষামূলকভাবে রাজশাহী রেশম কারখানার পাওয়ার লুম চালু

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০১৮, ১৮:৪৭
অবশেষে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হলো বন্ধ হয়ে যাওয়া রাজশাহী রেশম কারখানার ৫টি পাওয়ার লুম। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের (বিএসডিবি) পরিচালনা পর্ষদের সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান ফজলে হোসেন বাদশা এর উদ্বোধন করেন।
 
বাংলাদেশ রেশম বোর্ডের মহাপরিচালক মু. আব্দুল হাকিমের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সমাজসেবক শাহীন আক্তার রেনী, অধ্যাপিকা তসলিমা খাতুন, বিএসডিবির পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ড. সাবরিনা নাজ, বিএসডিবি সদস্য (অর্থ ও পরিকল্পনা ও উৎপাদন ও বাজরজাতকরণ) সৈয়দা জেবিন নিছা সুলতানা, সদস্য (সম্প্রসারণ ও প্রেষণা) এম এ মান্নান, রেশম শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি মো. লিয়াকত আলী, সিবিএ সভাপতি মো. মো. আবু সেলিম প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রধান উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন বিএসডিবির সচিব মো. জায়েদুল ইসলাম।
 
ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, রাজশাহী রেশম কারখানা চালু হওয়া আমার ও রাজশাহীর মানুষের স্বপ্ন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এ স্বপ্ন আজ সফলের পথে। প্রথম ট্রায়াল বেসিসে ৫টি লুমের সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে এর পরিধি ক্রমান্বয়ে আরও বাড়ানোর পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ২০০২ সালে রেশম কারখানা বন্ধ করে দেয়ার ফলে রাজশাহীকে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য সুবিধার পাশাপাশি রেশম কারখানায় গ্যাস সংযোগ দিলে খরচ ৩০ শতাংশ কমবে এবং কারখানাটি লাভের মুখ দেখবে বলে জানান তিনি।
 
শাহীন আক্তার রেনী বলেন, রাজশাহী সিল্কের ব্রান্ডিং পেয়েছে। রাজশাহী এখন সিল্ক হেভেন। তিনি রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাওয়ার কথা বলেন।
 
বিএসডিবির মহাপরিচালক বলেন, আমাদের গর্বের ও আত্মসম্মানের প্রতীক হচ্ছে এ রেশম কারখানা। তৎকালীন সরকার লোকসানের অজুহাতে কারখানাটি বন্ধ করে দিয়েছিল। কিন্তু দেশের স্বার্থে-রেশমের স্বার্থে কারখানাটি চালু রাখা যুক্তিয্ক্তু ছিল। তিনি রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য চীন, ভারত থেকে উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার বিষয়টি উল্লেখ করেন। এজন্য  রেশম শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
 
ইত্তেফাক/ইউবি