রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার তিস্তা নদীর চরাঞ্চলে রাজধানীসহ তিন জেলার পুলিশ অভিযান চালিয়ে জেএমবির দাওয়াহ বিভাগের চার সদস্যকে আটক করেছে। এ অভিযানে তাদের কাছ থেকে অগ্নেয়াস্ত্র-গুলি, চাকু ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। গঙ্গাচড়ার দুর্গম চরাঞ্চলে নব্য জেএমবি তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল বলে পুলিশ জানায়।
পুলিশ সুপার আলী আশরাফ বলেন, অনেক দিন ধরে পুলিশ তাদের খোঁজখবর নিচ্ছিল। এ দিকে রংপুরের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ইত্তেফাককে জানান, নব্য জেএমবি’র সদস্যরা রংপুরের স্পর্শ কাতর স্থানে ব্যাপক ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য অনেক দিন ধরে সংঘবদ্ধ হচ্ছিল। পুলিশ আগেই বিষয়টি টের পায় এবং এই নব্য জেএমবি’র সদস্যদের ওপর পুলিশ কড়া নজরদারী করছিল। এরই এক পর্যায়ে বিভিন্ন সূত্র ধরে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে তাদের কর্মকাণ্ড ভণ্ডুল করে দেয়।
সোমবার (৩০ জুলাই) দুপুরে বগুড়া জেলা পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বগুড়া জেলার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা জানান, বৃহস্পতিবার থেকে রবিবার রাত পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। দুপুরে পুলিশ হেড কোয়ার্টার্স ইনটিলিজেন্স শাখা ও বগুড়া জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা রংপুর ও লালমনিরহাট জেলা পুলিশের সহায়তায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে জেএমবির দাওয়াহ বিভাগের চার সদস্যকে আটক করে।
IMG0
রংপুরের গঙ্গচড়া উপজেলার সাউদপাড়ার কুড়িবিশ্ব দোলপাড়ার সিরাজুল ইসলামের ছেলে আজহারুল ইসলাম ওরফে ওয়ানুর (৩২), একই উপজেলার সরদারপাড়ার চর বাগডহড়ার নৈয়ব আলীর ছেলে আকরামুজ্জামান ওরফে মুকুল (২৬), একই এলাকার মমিন আলীর ছেলে ফারুক ওরফে সাজু (২২) ও আব্দুস সামাদের ছেলে আব্দুল হাকিমের ইছাবা (৩৪)। তাদের কাছ থেকে একটি একে-২২ বোর রাইফেল, একটি একে-২২ বোর রাইফেলের ম্যাগজিন, দুইটি বিদেশি ৭.৬৫ পিস্তল, তিনটি ম্যাগাজিন, একে-২২ বোর রাইফেলের ১৫ রাউন্ড গুলি, দুইটি বার্মিজ চাকু, নগদ ৫৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
ইত্তেফাক/এমআই
