পাকিস্তানের নির্বাচন নিরপেক্ষ হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল পাকিস্তানের মানবাধিকার কমিশন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নও।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, পাক মানবাধিকার কমিশনের অভিযোগকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে ওয়াশিংটন। ভোটের আগে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপরে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। সব রাজনৈতিক দলকে প্রচারের সমান সুযোগও দেওয়া হয়নি। ভোটে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্তদের অংশগ্রহণ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় বিবৃতিতে।
পাকিস্তান নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত ফলে ইমরান খানের দল তেহরিকে ইনসাফের আসন ১১৬টি। অন্যদিকে মুসলিগ লিগ ৬৪টি এবং পিপিপি ৪৩টি আসন পেয়েছে।
নির্বাচনের শুরু থেকেই পিটিআইয়ের সঙ্গে সেনাবাহিনীর আঁতাত হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।
ইত্তেফাক/টিএস
