জয়পুরহাটের কালাইয়ে মাদ্রাসা পড়–য়া ৭ম শ্রেণির এক ছাত্রী (১৫) তার নিজ বন্ধু প্রলোভন পড়ে বগুড়ার ঐতিহাসিক মহাস্থান-গড় এলাকায় বেড়াতে নিয়ে গিয়ে সেখানে দু’দিন ধরে আটকে রেখে তাকে জোরপুর্ব ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
মামলার বিবরণ এবং পরিবারের লোকজনদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কালাই উপজেলার ধুনট গ্রামের ওই ছাত্রী উপজেলার চান্দাইর দাখিল মাদ্রাসায় ৭ম শ্রেণিতে পড়াশুনা করে।
এক সময় মোঠুফোনে একই উপজেলার মাদাই গ্রামের আফছার আলীর ছেলে রুবেল (২১) তার সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। গত শুক্রবার সকালে মুঠোফোনে তাকে কালাই উপজেলা শহরে দেখা করার জন্য আসতে বলে।
পরে সে দেখা করার জন্য এলে তার বন্ধু বেড়ানো প্রলোভনে পড়ে তার সাথে বগুড়ার ঐতিহাসিক মহাস্থান গড়ে বেড়াতে যায়। সেখানে যাওয়ার পর রুবেল তাকে একটি আবসিক হোটেলে আটকে রেখে দুদিন ধরে জোরপুর্ব ধর্ষণ করে। পরে অসুস্থ অবস্থায় ওই ছাত্রী তার বাড়ীতে ফিরে আসলে পরিবারের লোকজন তার নিকট থেকে বিষয়টি শুনে চিকিৎসার জন্য তাকে কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।
ওই ছাত্রীর শারিরীক অবস্থা অবনতি দেখে কর্মরত চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা অধুনিক হাসপাতালে পাঠান। ওই ঘটনায় গত বুধবার ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে কালাই থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার পরপরই পুলিশ কৌশলে ধর্ষক রুবেল (২১) কালাই পৌরশহরের পাঁচশিরা বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করেন।
এই বিষয়ে কালাই থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল লতিফ খান বলেন, গ্রেফতারের পর রুবেল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের কথা শিকার করেছে।
ইত্তেফাক/কেআই
