দোহার উপজেলার ব্যাঙ্গারচর বিলেরপাড় এলাকার একটি পুকুর থেকে এক নববধুর লাশ উদ্ধার করেছে দোহার থানা পুলিশ। নিহত নববধূ শিখা (১৮) উপজেলার ঘাটাগ্রামের সিরাজ মিয়ার মেয়ে। গত শনিবার শিখাকে তার বাবা সিরাজ মিয়া উপজেলার ব্যাঙ্গারচর বিলেরপাড় চৌধূরীপাড়া গ্রামে প্রবাসী মো. রবিউলের নিকট বিবাহ দেন।
সোমবার বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে উপজেলার ব্যাঙ্গারচর বিলেরপাড় চৌধূরীপাড়া এলাকার একটি পুকুরে ভাসমান গলায় কলস বাঁধা অবস্থায় এক নারীর মৃতদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। সংবাদ পেয়ে দোহার থানার ওসি (তদন্ত) মো. ইয়াছিন মুন্সির নেতৃত্বে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে তার পরিচয় সনাক্ত করেন। এ সময়ে নিহতের পরনে ছিলো সালোয়ার-কামিজ।
পুলিশের ধারণা রবিবার রাতে কোন এক সময়ে শ্বাসরোধ করে নববধূকে হত্যার পর লাশ পুকুরে ডুবিয়ে গোপন করা হয়েছিলো। এ ঘটনায় পুলিশ নিহত নববধূ শিখার শাশুড়ি, ভাসুর, দুই জালকে আটক করেছে। নিহত শিখার স্বামী রবিউল পলাতক রয়েছে।
নিহতের পরিবার সংবাদ পেয়ে গ্রামবাসীসহ থানায় হাজির হয়ে নববধূ হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করে। এ বিষয়ে দোহার থানার ওসি (তদন্ত) মো. ইয়াছিন মুন্সি চারজনকে আটকের কথা স্বীকার করে জানান, নিহতের গলায় আঘাতের চিহ্ন আছে। মৃতদেহ উদ্ধারের সময় তার গলায় ওড়না দিয়ে কলস বাঁধা ছিলো। ধারণা করা হচ্ছে লাশ লুকিয়ে রাখার জন্য গলায় কলস বেঁধে দেওয়া হয়েছিলো। লাশ ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মিটফোর্ড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।
ইত্তেফাক/নূহু
