দোহারে নববধূকে হত্যা ও লাশ গুমের দায়ে ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০১৮, ১৯:৩৮
দোহার উপজেলার উত্তর জয়পাড়া মিয়াবাড়ির পশ্চিম পাশে পুকুরে কচুরিপানার ভিতর থেকে নববধূ শিখা আক্তারের (১৮) লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দোহার থানা পুলিশ ৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। এ ঘটনায় গত সোমবার রাত সাড়ে ১১টায় নিহত শিখার মা রুনু আকতার (৩৮) বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।
 
নিহত শিখা উপজেলার দোহার খালপাড় গ্রামের কুয়েত প্রবাসী সিরাজ উদ্দিনের মেয়ে। গত শনিবার শিখার সঙ্গে উপজেলার উত্তরজয়পাড়া মিয়াবাড়ির মনোয়ার হোসেনের ছেলে রুহুলআমিনের (২৯) বিবাহ হয়।
 
বিবাহের তিনদিনের মাথায় গত সোমবার বিকাল সাড়ে পাচঁটার শিখাকে হত্যা করা হয়। পুলিশের ধারণা, রবিবার রাতে কোন এক সময়ে শ্বাসরোধ করে নববধূ শিখাকে হত্যার পর লাশ পুকুরে ডুবিয়ে গোপন করা হয়ে ছিলো। এ ঘটনায় নিহতের মা রুনু আকতার বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-০৩,তাং-৬/৮/১৮ইং ধারা ৩০২/২০১/৩৪।
 
আসামিরা হলেন, নিহত শিখার স্বামী ১. রুহুল আমীন, ২. শ্বশুর মনোয়ার হোসেন খাঁন, ৩. শাশুড়ি আসমা বেগম, ৪. দেবর মারুফ খাঁন, ৫. ননদের স্বামী সাইদুর রহমান নবাবগঞ্জ উপজেলার গালিমপুর গ্রামের আমিনউদ্দিন পাঠানের ছেলে। ঘটনার পর থেকে স্বামী রুহুল আমিন, দেবর মারুফ খান, ননদের স্বামী সাইদুর রহমান, শ্বশুর মনোয়ার হোসেন পলাতক রয়েছেন বলে জানান পুলিশ।
 
এ বিষয়ে দোহার থানার ওসি (তদন্ত) মো. ইয়াছিন মুন্সি জানান, নিহতের গলায় আঘাতের চিহ্ন আছে এবং মৃতদেহ উদ্ধারের সময় তার গলায় ওড়না দিয়ে কলস বাঁধা ছিলো। ধারনা করা হচ্ছে লাশ লুকিয়ে রাখার জন্য গলায় কলস বেধে দেওয়া হয়েছিলো। লাশ ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মিটফোর্ড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
 
এ বিষয়ে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম জানান, নিহত শিখার শাশুড়ি আসমা বেগমকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
 
ইত্তেফাক/নূহু