কয়লা কেলেঙ্কারির সত্যতা পেয়েছে দুদক

আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০১৮, ০১:৫৪

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে ১ লাখ ৪৪ হাজার মে.টন কয়লা লোপাটের ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা আছে। সেই প্রেক্ষিতেই মামলা হয়েছে। এ ব্যাপারে আরো তদন্ত হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলেই এটা কিভাবে হয়েছে এবং কারা করেছে, তা বোঝা যাবে।

 

কয়লা লোপাটের ঘটনায় দায়ের করা মামলার সরেজমিন তদন্ত শেষে গত সোমবার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ৩ সদস্যের তদন্ত টিমের প্রধান দুদকের পরিচালক (প্রশাসন) কাজী শফিকুল আলম। এর আগে গত রবি ও সোমবার তদন্ত টিমের সদস্যরা বড়পুকুরিয়ায় এসে কয়লা ইয়ার্ড, উত্তোলনকারী ফেইসসহ প্রতিটি স্পট পরিদর্শন করেন।

 

দুদক কর্মকর্তা জানান, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে বেশ কিছু কাগজপত্র জব্দ করা হয়েছে এবং নতুন কিছু কাগজ চাওয়া হয়েছে। আগামী দুই দিনের মধ্যে তা পাওয়া যাবে। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ও বিশ্লেষণ শেষে নতুন কাউকে অভিযুক্ত করা হবে কি না, এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। সেই সাথে কয়লা চুরির ঘটনায় জড়িতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিযুক্তদের চিঠি দেওয়া হবে। এরপরই তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

 

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কাজী শফিকুল আলম জানান, যারা জড়িত তারা এখনও বহাল থাকায় কোনো সমস্যা হবে না। অলরেডি যারা মূল জড়িত তাদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

 

উল্লেখ্য, কয়লা লোপাটের ঘটনায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির সদ্য অপসারণকৃত ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হাবিব উদ্দিন আহমেদসহ ১৯ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গত ২৪ জুলাই পার্বতীপুর মডেল থানায় মামলা করেন বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএমসিএল) ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মোহাম্মদ আনিছুর রহমান। থানা মামলাটি তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন দিনাজপুর জেলা সমন্বিত কার্যালয়ে প্রেরণ করে। তারা মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য দুদক কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পাঠায়।