কক্সবাজারের মাদক অধ্যুষিত শহর টেকনাফ উপজেলায় এবং চকরিয়ায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ৫ হাজার ৩শত ৮৪ পিস ইয়াবাসহ তিন ইয়াবা কারবারীকে আটক করেছে র্যাব-৭ এবং থানা পুলিশ।
জানা যায়, মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে টেকনাফের উত্তর জালিয়াপাড়ার সামনে থেকে ইমাম হাসানকে আটক করা হয়। সে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের উত্তর জালিয়াপাড়া পৌরসভাস্থ ৭নং ওয়ার্ড এলাকার ইবনে আমিনের ছেলে।
জানা যায়, মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে কক্সবাজারস্থ র্যাব-৭, টেকনাফ ক্যাম্প গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন পৌরসভাস্থ ৭নং ওয়ার্ড উত্তর জালিয়াপাড়ায় জনৈক ইমাম হাসানের বাড়িতে কতিপয় মাদক ব্যাবসায়ী ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয় বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৭, টেকনাফ ক্যাম্পের ইনচার্জ লেঃ মোঃ মির্জা শাহেদ মাহতাবের নেতৃত্বে একটি অভিযান পরিচালনা করে ইমাম হাসানকে (২৬) হাতেনাতে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উপস্থিত স্বাক্ষীদের সম্মুখে গ্রেফতারকৃত আসামির দেহ তল্লাশী করে ৫ হাজার ৩শত পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। ইমাম হাসান টেকনাফ সদর ইউনিয়নের উত্তর জালিয়াপাড়া পৌরসভাস্থ ৭নং ওয়ার্ড এলাকার ইবনে আমিনের ছেলে।এ ব্যাপারে কক্সবাজারস্থ র্যাব-৭ কোম্পানী কমান্ডার মেজর মোঃ মেহেদী হাসান জানান, মাদক কারবারী ইমাম হাসানকে সংশ্লিষ্ঠ ধারায় মামলা দিয়ে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
অপরদিকে কক্সবাজারের চকরিয়া থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই ইয়াবা ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৮৪ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টায় উপজেলার ডুলহাজারা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা হলেন, চকরিয়া উপজেলার ডুলহাজারা ইউনিয়নের ডাকবাংলো এলাকার ছৈয়দ আহমেদর ছেলে মোহাম্মদ হোসেন (২৮) এবং খুটাখালীর দক্ষিণ মেধাকচ্ছপিয়া এলাকার আনসার উল্লাহর ছেলে আবদুল হাকিম (২০)।
চকরিয়া থানার এসআই আবদুল খালেক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার একদল পুলিশ ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে ডুাহাজারা থেকে হোসেনকে গ্রেফতার করি। পরে খুটাখালী থেকে আবদুল হাকিমকে গ্রেফতার করি। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৮৪ পিস ইয়াবা উদ্ধার করি।
চকরিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইয়াছির আরাফাত বলেন, ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
ইত্তেফাক/নূহু
