গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধুর জন্য উৎসর্গকৃত আই ক্যাম্পে ৫শ রোগীকে চক্ষুরোগের সেবা প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দিনব্যাপী মুকসুদপুর উপজেলার উজানী বি.ইউ.কে উচ্চ বিদ্যালয়ে গোপালগঞ্জ সোস্যাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সহযোগিতায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট পশ্চাদপদ উজানী, কাশালিয়া ও বাশবাড়িয়া ইউনিয়নের মানুষের জন্য এ ক্যাম্পের আয়োজন করে। এ ক্যাম্প থেকে ৫ শতাধিক রোগীকে বিনামূল্যে চক্ষু রোগের চিকিৎসা, ওষুধ ও চশমা প্রদান করা হয়েছে।
সকালে এ ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন গোপালগঞ্জ সোস্যাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সভাপতি আইটি স্পোশালিস্ট কাজী হারুন অর রশীদ মিরন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উজানী ইউপি চেয়ারম্যান শ্যামল কান্তি বোস, কাশালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান ও বাশবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।
চিরঞ্জীব বঙ্গবন্ধু ও ৭৫-এর ১৫ আগস্টের শহীদদের জন্য উৎসর্গকৃত এ ক্যাম্প থেকে ৪৫ জন রোগীকে ছানি, নেত্রনালীসহ বিভিন্ন জটিল রোগের অপারেশনের জন্য বছাই করা হয়।
বুধবার বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে তাদের অপারেশন করে চোখের আলো ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
কাশালিয়া ইউনিয়নের শার্শাকান্দি গ্রামের সমর বিশ্বাস বলেন, আমরা চান্দার বিলের বাসিন্দা। এটি বিলের পশ্চাদপদ এলাকা। এখানে এ ক্যাম্পের আয়োজন করায় ৫শ মানুষ চোখের আলো ফিরে পেয়েছে। আমরা চোখের আলো ফিরে পেয়ে শোকের মাসে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।
গোপালগঞ্জ সোস্যাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সভাপতি আইটি স্পোশালিস্ট কাজী হারুন অর রশীদ মিরন বলেন, মানুষের চোখের আলো ফিরিয়ে দেওয়ার মতো মহৎ কাজ করে যাচ্ছে চক্ষু হাসপাতাল। আমি আশা করছি দ্রুত এ হাসপাতালের পরিচালকের নেতৃত্বে গোপালগঞ্জ জেলাকে ছানিমুক্ত করে ছানিজনিত অন্ধত্ব মোচন করা সম্ভব হবে।
গোপালগঞ্জ শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব চক্ষু হাসপাতালের পরিচালক প্রফেসর ডা. সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠান মানুষের চোখের আলো ফিরিয়ে দেওয়ার কাজ করে চলেছে। বঙ্গবন্ধুর জন্য উৎসর্গকৃত আইক্যাম্পে আমরা মানুষের জন্য সেই কাজটিই করেছি। মানুষের কল্যাণ করতে পারলেই বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতাসহ ৭৫ এর ১৫ আগষ্টের শহীদদের আত্মা শান্তি পাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
ইত্তেফাক/নূহু
