ছাত্রীনিবাসে আটকে ধর্ষণ করা হত

আপডেট : ১২ আগস্ট ২০১৮, ১৯:০৮
ছাত্রীনিবাসে যৌন কেলেঙ্কারির বিষয়ে এবার আরো এক নারী অভিযোগ করেছেন। তার অভিযোগ, একটি ঘরে আটকে রেখে পর্নোগ্রাফি দেখতে বাধ্য করা হয়েছিল। এরপর ছাত্রীনিবাসের ডিরেক্টর অশ্বিনী শর্মা তাকে জোর করে ধর্ষণ করে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের ভোপালে। 
 
রবিবার ভারতের গণমাধ্যমে বলা হয়, মধ্যপ্রদেশের ধার জেলার ওই নারী ইনদওর পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ পেয়েই গত বুধবার ওই ছাত্রীনিবাসের ডিরেক্টর অশ্বিনী শর্মাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। 
 
পুলিশের কাছে ওই নারী জানান, তাকে জোর করে একটি ঘরে আটকে রাখা হয়েছিল। সেখানে পর্নোগ্রাফি দেখতে বাধ্য করা হত। তারপর ধর্ষণ করা হত। এইভাবে টানা ছ’মাস তার উপর নির্যাতন চালানো হয়।
 
কংগ্রেস বলছে, ওই ছাত্রীনিবাসের ডিরেক্টর অশ্বিনী শর্মা মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান-সহ রাজ্যের বিজেপি নেতাদের ঘনিষ্ঠ। 
 
মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস সভাপতি তথা কমল নাথ মুখ্যমন্ত্রীকে একটি চিঠি লিখে ঘটনার জন্য সিবিআই তদন্ত দাবি করেছেন।
 
এদিকে বিজেপি দাবি করেছে, একটি স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে অযথা রাজনীতি করছে কংগ্রেস। ইতিমধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তও শুরু হয়েছে। তার পরও স্পর্শকাতর এই বিষয়টিতে রাজনীতির রং চড়াচ্ছে কংগ্রেস।
 
ভোপালের পদস্থ পুলিশ কর্তা ধর্মেন্দ্র চৌধরি জানিয়েছেন, ইনদওর পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। একটি মামলা দায়ের করে তা ভোপালে পাঠিয়ে দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত চলছে। 
 
ইত্তেফাক/জেডএইচ/