ভারতের বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজরদারি চালানোর জন্য অন্তত সাতবার চেষ্টা করেছিল। কোনও বেসরকারি সংস্থাকে কাজে লাগিয়ে এই চেষ্টা চালানো হয়। সম্প্রতি এনডিটিভি’র এক তদন্তে এমন তথ্য বের হয়ে আসে।
এনডিটিভি জানায়, চলতি বছরের মে মাসে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এপ্রিল মাসের ২৫ তারিখ কেন্দ্রীয় সরকার থেকে নজরদারির চেষ্টায় এমনই একটি টেন্ডার ডাকা হয়েছিল। সেই টেন্ডারের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে পিটিশনও জমা দেওয়া হয়।
আদালত জানিয়েছিল, এর ফলে ‘নজরদার রাষ্ট্র’ তৈরির অভিযোগের মুখে পড়ছে কেন্দ্র। যার ফলেই সরকার এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়।
প্রায় এইরকম একটি প্রস্তাবনা ছিল ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অব ইন্ডিয়ার মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজরদারির।
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার মনে করেছিল, আদতে আধার নিয়ে নেতিবাচক মনোভাবকে স্থিতীশীল অবস্থায় নিয়ে আসতে সাহায্য করবে এই নজরদারি। এই পদক্ষেপও নাকচ করে দেয় শীর্ষ আদালত। এই সপ্তাহেই এই ঘটনার ওপর শুনানি শুরু হবে।
IMG0
এনডিটিভির তদন্তে উঠে এসেছে যে, ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এইভাবে নজরদারি চালানোর লক্ষ্য সামনে নিয়ে মাঠে নেমেছিল সরকার। যে কারণেই ওই বেসরকারি সংস্থাদের কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছিল তারা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এই বিষয়ে প্রথম টেন্ডার ডাকা হয় ২০১৪ সালের ডিসেম্বর। তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর বিশেষ নজরদারির ফোল্ডার তৈরি করে একজন নির্দিষ্ট সাংবাদিকের ওপর লক্ষ রাখার।
ইত্তেফাক/ জেআর
