ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে গণমাধ্যম সাক্ষরতা মিডিয়া লিটারেসি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ মঙ্গলবার। এটুআই ও সাকমিড যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে।
ইতোপূর্বে ঢাকা জেলার ৮টি স্কুলে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। পৃথিবী ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। ইন্টারনেটের বিস্তার ও মোবাইল ফোনের ব্যবহারের প্রেক্ষাপটে পৃথিবী আজ হাতের মুঠোয়। বোতাম কিংবা কি বোর্ডে চাপ দিলেই পর্দায় ভেসে উঠছে ছবি, তথ্য ও সংবাদ। তথ্যের এই অবাধ প্রবাহ এবং রেডিও, টেলিভিশন ও ফেসবুকসহ সকল প্রকার গণমাধ্যমে প্রবেশের অবারিত সুযোগ একদিকে তরুণদের সামনে খুলে দিচ্ছে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত তেমনি আবার খুলছে এর অপব্যবহারে বিপথে যাওয়ার দ্বার। এ প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজন সঠিক দিক নির্দেশনা ও গণমাধ্যম সংক্রান্ত সাক্ষরতা। কীভাবে ইন্টারনেটের সুবাদে প্রাপ্ত তথ্য ও সংবাদ সঠিকভাবে ব্যবহার করে এর সুফল আমরা পেতে পারি এবং কীভাবে এর ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে আমরা মুক্ত থাকতে পারি তা নিয়ে আমাদের সতর্ক হতে হবে।
সম্প্রতি ঢাকা মহানগরীর মাধ্যমিক পর্যায়ে সাকমিড পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, শতকরা ৮০ ভাগ শিক্ষার্থী ইন্টারনেটে যুক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে, যাদের একটি বড় অংশ ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে স্কুল পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের সচেতন করে গড়ে তুলতে নানা উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের আইসিটি বিভাগের প্রধান ফেরদৌসি আরা, আইসিটি শিক্ষক সৈয়দ মাহবুব হাসান আমিরী, সাকমিড এর উপ-পরিচালক সৈয়দ কামরুল হাসান, সাকমিড এর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য নজর-ই-জিলানী ও এটুআই- এর মিডিয়া অ্যাম্বাসেডর। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন আফিয়া পিনা। ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে একজন লিডার ও দুইজন কো-লিডার নির্বাচন করা হয়।
ইত্তেফাক/এমআই
