খাগড়াছড়ি শহরের অদূরে স্বনির্ভর এলাকায় গতকাল শনিবার সকালে দুর্বৃত্ত হামলার পর ঘটনাস্থলের আশপাশ এলাকায় এখনো থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আতংক বিরাজ করছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। স্বনির্ভর বাজারের দোকানপাট আজও খোলেনি। তবে বন্ধ থাকা খাগড়াছড়ি-পানছড়ি সড়কে আজ সকাল থেকে যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে। শনিবারের সন্ত্রাসী ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি।
এদিকে গুলিতে নিহত ৭জনের মধ্যে ৪জনের লাশ গতকাল সন্ধ্যায় পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে ইউপিডিএফ সমর্থিত পাহাড়ি সংগঠনগুলোর তিন নেতার লাশ এখনো খাগড়াছড়ি থানায় রয়েছে। তারা হলো- পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের জেলা ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তপন চাকমা, একই সংগঠনের জেলা সহ-সাধারণ সম্পাদক এলটন চাকমা, গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের জেলা সহ-সভাপতি পলাশ চাকমা। শনিবার দুপুরে পৃথক ঘটনায় নিহত ছন কুমার চাকমার লাশ পরিবারের সদস্যরা বুঝে নিয়েছেন।
সদর সার্কেলের এএসপি আফতাব আহমেদ জানান, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও শান্ত রয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শহরের বিভিন্ন সড়কে পুলিশের পাশাপাশি সেনা ও বিজিবি’র টহলও চোখে পড়ছে।
এদিকে সন্ত্রাসী ঘটনার প্রতিবাদে ইউপিডিএফ সমর্থিত তিনটি পাহাড়ি সংগঠন আগামীকাল ২০ আগস্ট খাগড়াছড়ি জেলায় আধাবেলা সড়ক অবরোধ পালনের কর্মসূচী ঘোষণা দিয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে দুর্বৃত্তদের পৃথক পৃথক হামলার ঘটনায় গুলিতে ৭জন নিহত হন এবং ৬ জন আহত হন।
ইত্তেফাক/মোস্তাফিজ
