আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী জানিয়েছেন, ঈদুল আজহায় ট্রেনে বাড়ি ফেরা যাত্রীদের নিরাপত্তায় ২৩’শ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ফলে যাত্রীরা সন্তুষ্টি নিয়ে বাড়ি যাচ্ছেন। রবিবার বিকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে তিনি সব এ কথা বলেন।কমলাপুরে রেলস্টেশন পরির্দশন শেষে আইজিপি সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল পরির্দশন করেন।
তিনি বলেন, ঈদে বিভিন্ন পথে প্রায় এক কোটি মানুষ ঢাকা ছাড়ছে, আবার সারাদেশ থেকে পশুবাহী ট্রাক ঢাকায় আসছে। তবে সবাই স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি ফিরতে পারছে। নদীর স্রোতের কারণে কয়েকটি ফেরি সময়মতো চলাচল করতে পারেনি। এ ছাড়া বাকি সব ঠিকই আছে।
ট্রেনের ছাদে যাত্রী ওঠা নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, ছাদে উঠে যাওয়া কাম্য নয়, এটা বাস্তবতার কারণে হয়। বাস্তবতার কারণে অনেক সময় যাত্রীরা ট্রেনের ছাদে ওঠেন। আমরা যাত্রীদের প্রাধান্য দেই, তবে সেটা নিরাপত্তার মধ্যেই।
তিনি বলেন, বছরের অন্য সময়ের তুলনায় ঈদের সময় ট্রেনে যাত্রী সংখ্যা বেড়ে যায়। এ সময় বাস্তবতার কারণে অনেকে ট্রেনের ছাদে উঠে বাড়ি ফেরেন। ইজতেমার সময় ঠিক একই পরিস্থিতি তৈরি হয়, তখনও মানুষ ছাদযোগে যাত্রা করে।
আইজিপি বলেন, এবার যাত্রীদের যাত্রা নিরাপদ করতে অতিরিক্ত ২৩শ পুলিশ সদস্য কাজ করছেন। তারা মলমপার্টি, অজ্ঞানপার্টি, ছিনতাইকারী থেকে যাত্রীদের সার্বিক নিরাপত্তা দিচ্ছেন।
এর আগে দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে কমলাপুর রেলস্টেশনে এসে স্টেশন এলাকা এবং প্ল্যাটফর্ম ২ ও ৩ নম্বর ঘুরে দেখেন আইজিপি। তিনি যাত্রী ও দায়িত্বরত স্কাউট সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় প্ল্যাটফর্ম ২ নম্বর প্লাটফর্মে এ দাঁড়িয়ে থাকা ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ রুটের জামালপুর কমিউটার ট্রেনের যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন আইজিপি। এ সময় ট্রেনের ছাদ ফাঁকা থাকলেও আইজিপি চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ট্রেনের ছাদ যাত্রীতে ভরে যায়।
উল্লেখ্য, রবিবার কমলাপুর থেকে মোট ৬৮টি ট্রেন দেশের বিভিন্ন স্থানের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। এর মধ্যে ৩১টি আন্তঃনগর ট্রেন, ৪টি স্পেশাল ট্রেন বাকিগুলো লোকাল ও মেইল সার্ভিস।
ইত্তেফাক/এমআই
