ঈদের পর আসছে পৃন্সের ‘পাগলামির দেখছস কি’

আপডেট : ২০ আগস্ট ২০১৮, ১৬:৫২
সঙ্গীতশিল্পী ‘পৃন্স হায়দার’ এর  একক গান ‘পাগলামির দেখছস কি’ এই ঈদুল  আযহার পরে সারাদেশে মুক্তি পেতে যাচ্ছে।  গানের কথা, সুর ও কণ্ঠ তার নিজের। আর সঙ্গীত আয়োজন করেছেন সঙ্গীতশিল্পী ও সঙ্গীত পরিচালক ‘অটামনাল মুন’। গানের রেকর্ডিং সম্পন্ন হয়েছে মুনের রেকর্ডিং স্টুডিও ‘মুন্সিয়ানা’ তে।
 
পৃন্স জানালেন, বাস্তবে মুনের সঙ্গে গান এবং গানের বাইরের অনেক পাগলামির ফলশ্রুতিতেই গানের সঙ্গীত আয়োজনে মুন-ই ছিল প্রথম পছন্দ। আর অন্যদিকে মুনেরও পার্সোনাল/ নিজস্ব পছন্দের তালিকায় গানটি ম্যাচ করাতে, বোধ করি সোনায় সোহাগার সম্মিলন সামিল। মুনের সংগতে, গানের টেম্পো থেকে শুরু করে শেষ নোটটি পর্যন্ত পাগলামির প্রণোদনা দ্বিগুণ চতুর্গুণ -চক্রবৃদ্ধি হারে বেড়েছে বৈ কমেনি। আর এদিকে গানের লিরিক্স, তার অর্থ -অনর্থ উভয় দ্যোতনায়, অসাধারণ গায়কী আর পরিশেষে দৃষ্টি গ্রাহ্য মিউজিক ভিডিও ও তার গল্পের বর্ণনায় শিল্পী নিজেও ছাড়িয়ে যাবেন মিডিয়াতে এ যাবৎ কালের তাবৎ পাগলামিপনার  উদাহরণসমূহের চূড়ান্তকে।
 
২০১৫ সালের ১১ জুলাই দেশের প্রথম সারির রেকর্ড লেবেল জি- সিরিজের অঙ্গ সংগঠন ‘অগ্নিবীণা প্রকাশনা’ থেকে ‘পৃন্স হায়দার’ এর প্রথম একক অ্যালবাম ‘সহজ কথা’। সেই ‘সহজ কথা’ র পর প্রায় তিন বছরের দীর্ঘ বিরতির পর এই ২০১৮ তে এসে শিল্পী বলছেন তার বাস্বতব অভিজ্ঞতালব্ধ পরবর্তী কথা অর্থাৎ পরবর্তী গান ‘পাগলামির দেখছস কি’।  
 
IMG0
 
গান নির্বাচন প্রসঙ্গে, অকপটে নিজেকে ভুক্তভোগী দাবি করে পৃন্স গানটির যথার্থতা এবং সময় উপযোগিতাকেই প্রাধান্য দিলেন।পৃন্স বললেন, পাগলামি সার্বজনীন, কে কখন পাগল হবে বা কাকে কখন কিভাবে পাগল বানিয়ে দেয়া হবে তার মর্ম প্রকৃত পাগল ই উপলব্ধি করতে পারবে। লজিক/ যুক্তি যেখানে পর্যুদস্ত, জ্ঞ্যান যেখানে সীমাবদ্ধ, ভালো যেখানে নিগৃহীত, উচিত যেখানে হিংসার শিকার সর্বোপরি সৃষ্টিশীলতা যেখানে অবহেলিত ও বাধাগ্রস্থ - পাগলের উন্মেষ বা আবির্ভাব বা প্রয়োজনীয়তা সময়ের ঠিক সে বিন্দুতেই, কোনরকম প্রভাব বা সাপেক্ষ ছাড়াই। পাগলের ভিড়ে সবচেয়ে সুস্থ মানুষটার ভাগ্যে জোটে পাগল অভিধা। আর মনের বিরুদ্ধে তা মেনে নিতেই পাগলের যুক্তিযুক্ত প্রকাশভঙ্গি হাই ভোল্টেজ পাগলামি। 
 
গতানুগতিক, কূপমণ্ডূক, জরাজীর্ণ, বুদ্ধিহীন গুপ্ত গোপন লালসার বিরুদ্ধে, সব  ষড়যন্ত্রের মুখোশ উন্মোচনে - পাগলামির খরগহস্ত।  
 
চমক হিসেবে শিল্পী বলেন যে, এহেন গানের কথা, সুর, গায়কী এবং কম্পোজিশন আর সাথে মিউজিক ভিডিও নতুন প্রজন্মের শ্রোতাদের নতুন চাহিদা পূরণে সমর্থ হয়ে নতুন জোয়ার/ ট্রেনড সৃষ্টি করবে এমনটাই প্রতিশ্রুতি শিল্পীর। আর শিল্পীর নিজের জীবনের বাস্তবতা ও প্রকৃত দ্বন্দ্ব সমূহকে উপজীব্য বা আধার করে, সর্বজনের কথা মাথায় রেখেই, সর্বজনের প্রচলিত কথাতেই গেঁথে, আবালবৃদ্ধবনিতা সবার উপাদেয় ও হজমী করেই রীতিমত বানানো হয়েছে এই গান। 
 
ইত্তেফাক/কেকে