চট্টগ্রামে স্কুলছাত্র হিমু হত্যায় ব্যবহৃত জার্মানির ‘রট ওয়েলার’ জাতের কুকুরটি মারা গেছে। প্রায় ছয় বছর চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় বন্দি থাকার পর সোমবার সকাল ৮টায় কুকুরটি মারা যায়।
চিড়িয়াখানা সূত্র জানায়, ময়নাতদন্তে দেখা গেছে কুকুরটি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে।
মাদক ব্যবসা ও সেবনের প্রতিবাদ করায় ২০১২ সালের ২৭ এপ্রিল নগরীর পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকার ১ নম্বর সড়কের ‘ফরহাদ ম্যানশন’ নামের বাড়িতে হিংস্র কুকুর লেলিয়ে দিয়ে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়। এরপর চারতলা বাড়ির ছাদ থেকে নিচে ফেলে দেয়া হয় সামারফিল্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজের ‘এ’ লেভেলের শিক্ষার্থী হিমুকে। ২৬ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে ২৩ মে ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যায় হিমু। এ ঘটনায় একই বছর ৩০ অক্টোবর পাঁচলাইশ থানায় ৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন হিমুর মামা।
আসামিরা হল- হিমুর বন্ধু জাহিদুর রহমান শাওন, জুনায়েদ আহমেদ রিয়াদ, তার বাবা শাহ সেলিম টিপু, শাহাদাত হোসেন সাজু ও মাহবুব আলী ড্যানি।
২০১৬ সালের ১৪ আগস্ট আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষিত হয়। রায়ে ৫ আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দেন বিচারক। মামলার আলামত হিসেবে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত তিনটি কুকুরকে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় আটক রাখার আদেশ দেন বিচারক। এর মধ্যে দু‘টি কুকুর কিছুদিন পর মারা যায়।
ইত্তেফাক/বিএএফ
