শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. আব্দুল হামিদ লল্টুকে হত্যা পরিকল্পনা ফাঁস হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে শ্যামনগর থানায় ৬ জনের বিরুদ্ধে ৯৩৫ নং সাধারণ ডায়েরি করেছেন তিনি।
আব্দুল হামিদ লাল্টু টেংরাখালী গ্রামে মৃত মান্দার গাজীর ছেলে।
সাধারণ ডায়েরি সূত্রে জানা গেছে, ইউপি সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পরে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী গোলাখালী গ্রামে মৃত তফিল উদ্দীন গাজীর ছেলে আব্দুল বারী গাজী তাকে বিভিন্ন সময়ে খুন করার জন্য ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে থাকে। ইতিমধ্যে একই ইউনিয়নের মরাগাং গ্রামের হীরেশ মণ্ডলের ছেলে ভোলানাথ মণ্ডল সুন্দরবনে মাছ ধরার সময় বনদস্যু জাকির বাহিনী মুক্তিপণের দাবিতে তাকে অপহরণ করে। এক পর্যায়ে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ভোলানাথ রেহাই পায়। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোলানাথ মণ্ডল বনদস্যু জাকির বাহিনী প্রধান জকির এবং সহযোগী সোরা গ্রামের শহর আলী মোল্লার ছেলে করিম মোল্লা ও টেংরাখালী গ্রামে মফিজ উদ্দীন ভাংগীর ছেলে মজিদ ভাংগীসহ ২৮ জনকে আসামি করে শ্যামনগর থানায় গত ২০ আগস্ট ২২ নং মামলা করেন। পুলিশ করিম মোল্লা ও মজিদ ভাংগীকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এতে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে।
আটককৃতরা জানায়, ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদ লাল্টুকে খুন করার জন্য আব্দুল বারী গাজী, নুর ইসলাম গাজী ও জামির আলী জামু গাজীর কাছ থেকে ৫লক্ষ টাকা নিয়েছে বলে পুলিশের কাছে অকপটে স্বীকার করে।
এ বিষয়ে শ্যামনগর থানায় ওসি ইলিয়াস হোসেন সাধারণ ডায়েরি ও মামলার কথা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি তদন্ত চলছে।
ইত্তেফাক/বিএএফ
