নাগেশ্বরীতে বর ও কনের বয়স ফাঁকা রেখে ৭০টি বাল্য বিয়ে রেজিস্ট্রি করায় ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে কাজীর জরিমানা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। জব্দ করা হয়েছে কাজীর নিকাহ রেজিস্ট্রি বই।
গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় পৌরসভার ভাসানীর বাজার এলাকার নুরল ইসলামের ১০ম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ের বাল্যবিয়ের খবর পেয়ে উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে যান। কাজী রিয়াজুল ইসলামের সহকারী কাজী আমজাদ হোসেন ওই বিয়ে রেজিস্ট্রি করাচ্ছিলেন। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিয়ে স্থগিত করে কাজীর নিকাহ রেজিস্ট্রি বই জব্দ করে নিয়ে যান।
বইটিতে দেখা যায়, ২০১৬ সালের ৭০টি বিয়ে রেজিস্ট্রি হলেও একটিতেও কনের বয়স লেখা হয়নি। অনেকখানে লেখা হয়নি ঠিকানা। ধারণা করা হচ্ছে বয়স কম থাকায় এসব বিয়ে রেজিস্ট্রির সময় বয়স ওঠানো হয়নি।
শনিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তার কার্যালয়ে অভিযুক্ত কাজী রিয়াজুল ইসলামকে ডেকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ক্ষমা চান। পরে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে তার এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শঙ্কর কুমার বিশ্বাস বলেন, ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা করা হয়েছে। এরপর এ ধরণের ঘটনা ঘটালে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ইত্তেফাক/নূহু
