জুয়া খেলা অবস্থায় আটক হওয়া ৭ জনকে সড়ক মেরামতের শর্তে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জুয়াড়িদের জন্য সুপারিশ করতে আসা আরো ১১ জনকে শুধু সড়ক মেরামতের আদেশ প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকালে গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহম্মদ মনির হোসেন তার কার্যালয়ে জুয়া আইনের ১৮৭৬ এর ১৩ ধারা অনুযায়ী এই রায় দেন।
সাজাপ্রাপ্ত ৭ জুয়াড়ি হলেন- উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের তালবাড়িয়া গ্রামের মিন্টু সরদার, মসিন আলী, আলম খাঁ, চরকাদহ গ্রামের নবির ফকির, মনিরুল ইসলাম, আব্দুল কুদ্দুস ও ওয়াজেদ আলী প্রাং।
সুপারিশ করতে আসা ১১ জন হলেন- সানোয়ার, সুজন, রাজিব, বিপ্লব, মিলন, ইয়াকুব, মেহেদি, আলিম, নবির উদ্দিন, সুজন ও আলু ফকির।
মুচলেকার শর্তে বলা হয়েছে- এসব জুয়াড়িসহ তাদের সুপারিস করতে আসা আরো ১১ জন ব্যক্তি কোন প্রকার অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়াতে পারবেন না। সেই সঙ্গে রাষ্ট্রের কল্যাণে তারা আগামী ৭ দিন গুরুদাসপুর উপজেলার ‘চরকাদহ-তালবাড়িয়া সড়কের মেরামত কাজ করবেন।
গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সেলিম রেজা বলেন, সোমবার মধ্য রাতে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার ধারাবারিষা এলাকা থেকে তাসের জুয়া খেলা অবস্থায় ৭ জনকে আটক করে। এসময় জুয়া খেলার সামগ্রী জব্দ করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহম্মদ মনির হোসেন বলেন, অপরাধ বিবেচনা করে মুচলেকার মাধ্যমে তাদের সাজা প্রদান করা হয়েছে। রাষ্ট্রের কল্যাণে সামাজিক শাস্তি হিসাবে সরকারি কাঁচা সড়ক মেরামতের কাজ দেয়া হয়েছে। সাজাপ্রাপ্তরা সড়কের কাজ করলে সামাজিকভাবে সচেতনতা তৈরি হবে।
ইত্তেফাক/জেডএইচ
