শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনায় যতটা পরিবর্তনের আশা করা হয়েছিলো ততোটা পরিবর্তন আসছে না। এখনো চট্টগ্রামের রাস্তায় ৩০ হাজারের মতো যানবাহন চালকের লাইসেন্স নেই। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ব্যাপারে পুলিশ ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর আরো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বিআরটিএ’র ডেপুটি ডিরেক্টর মো. শহিদুল্লাহ ইত্তেফাককে জানান, চট্টগ্রামের রাস্তায় হালকা ও মাঝারি ধরনের ২ লাখ ২৫ হাজারের মতো যানবাহন চলাচল করে। এর মধ্যে ইতিমধ্যে ১ লাখ ৯৫ হাজারের মতো ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে। বাকি যানবাহনগুলোর চালকের লাইসেন্স নেই। সেই হিসেবে প্রায় ৩০ হাজার চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই।
এদিকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কুসুম দেওয়ান জানিয়েছেন, পুলিশ নিয়মিত অবৈধ যানবাহন, ড্রাইভিং লাইসেন্সবিহীন চালকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। বিআরটিএ সূত্র জানিয়েছে, সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর চট্টগ্রাম বিআরটিএতে সেবা প্রত্যাশীদের ভিড় বেড়েছে। নতুন লাইসেন্স, পুরনো লাইসেন্স নবায়ন, ফিটনেস সনদ, ডিজিটাল নাম্বার প্লেট তৈরির আবেদনের পরিমাণ হঠাত্ করে আগের তুলনায় বেড়েছে। যদিও সেবা প্রত্যাশীদের তালিকায় ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর আবেদনকারীর সংখ্যা তুলনামূলক কম।
বিআরটিএ’র এক কর্মকর্তা জানান, লাইসেন্সধারী ১ লাখ ৯৫ হাজার চালকের মধ্যে ১ লাখ ৮ হাজার চালকই হচ্ছেন ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল চালক। এদের একটা বড় অংশ সাম্প্রতিক সময়ে লাইসেন্সের আবেদন করেছে। তাদের অনেকেই শিক্ষানবিশ লাইসেন্স নিয়ে গাড়ি চালাচ্ছে। এখন যেসব যানবাহনের লাইসেন্স নেই সেগুলোর মধ্যে মোটরসাইকেল ও অন্য যানবাহন প্রায় সমান সমান।
