হবিগঞ্জের মাধবপুরে শিশু মীম (৩) ও ৭ মাস বয়সী শিশু মোজাহিদ এবং তার মা হাদিছা আক্তারের (২৫) লাশ ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার বিকালে বিজয়নগর উপজেলার বুধন্তি ইউনিয়নের কেনা গ্রামে হাদিছার বাবার বাড়িতে দাফন করা হয়েছে। স্বামীসহ আত্মীয়স্বজন পলাতক রয়েছে।
শনিবার রাতে হাদিছার বাবা শামীম মিয়া মাধবপুর থানায় মজিবুর রহমান মজিদকে প্রধান আসামি করে সাতজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
শামীম মিয়া এজাহারে উল্লেখ করেন, গত শুক্রবার রাতে ঘটনার পূর্বে হাদিছা মোবাইল ফোনে বলেছিল তার খুবই বিপদ, কথা শেষ না করতেই মোবাইল কেড়ে নেয়া হয়েছে তিনি বুঝতে পেরেছিলেন। কিছুক্ষণ পর খবর পেয়ে ধর্মঘর ইউনিয়নের নিজনগর গ্রামে মেয়ের বাড়িতে এসে নাতি নাতনির গলাকাটা ও মেয়ের লাশ দেখতে পান।
শামীম মিয়া বলেন, ৪ বছর পূর্বে নিজনগর গ্রামে আ. রশিদের ছেলে মজিবুরের সঙ্গে হাদিছার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের জন্য হাদিছাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো মজিবুর। যৌতুক ও পরকীয়ার কারণেই পরিকল্পিত এ হত্যাকাণ্ড। ঘটনার পর থেকেই মজিবুরসহ তার আত্মীয়স্বজন পলাতক রয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাধবপুর থানার ওসি (তদন্ত ) কামরুজ্জামান জানান, আসামি গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে।
ইত্তেফাক/জেডএইচ
