নড়াইলের কালিয়ায় হত্যা চেষ্টা মামলার পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করতে গিয়ে মহিলাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে এক পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছেন। আহত পুলিশ কনস্টেবল শাহীনুর রহমানকে (২২) কালিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার সকালে উপজেলার আমতলা গ্রামের ওই ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার আমতলা গ্রামের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে জান্নাত গ্রুপ ও হান্নান গ্রুপের মধ্যে গত ২৮ আগস্ট সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করে দুই পক্ষ।
গ্রুপ নেতা জান্নাত শেখ ও মামলার বাদী আমতলা গ্রামের কিছলু মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ওই দিন সকাল ৯টার দিকে তার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কালিয়া থানার এসআই সবুর হোসেন ফোর্স নিয়ে পলাতক আসামি লিয়াকত হোসেন লিকুকে গ্রেফতার করলে লিকুর সমর্থকরা পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে তাকে ছাড়িয়ে নিয়েছে।
লিকুর মা জামিরন নেছা বলেন, ওই দিন সকালে তার ছেলে বাড়ির পাশে ধান ছাটাই মেশিনে ধান ছাটাই করার সময় পুলিশ তাকে আটক করে হাতকড়া পরিয়ে দেয়। সে কোন মামলার আসামি না বলে দাবি করে পুলিশের সঙ্গে তর্ক শুরু হয়।এসময় বাড়ির মহিলারাও সেখানে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু করে।
কালিয়া থানার ওসি শেখ শমশের আলী হাতকড়া নিয়ে আসামি পালিয়ে যাওয়ার সত্যতা অস্বীকার করে বলেন, গত ২৯ আগস্ট দায়ের করা মামলার পলাতক আসামি লিকু শেখকে ধরতে কালিয়া থানার এসআই সবুর হোসেন ও কনস্টেবল শাহীন লিকুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। এসময় বাড়ির মহিলারা লিকুকে ছাড়িয়ে নিতে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু করে। একপর্যায়ে হাতকড়াসহ পালিয়ে যায় লিকু। আর ধস্তাধস্তির সময় পড়ে গিয়ে কনস্টেবল শাহীন আহত হন।
ইত্তেফাক/জেডএইচ
