নীলফামারীতে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের অনুমোদন দেওয়ায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এবং নীলফামারীর মাটি ও মানুষের নেতা সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরকে অভিনন্দন জানিয়ে আনন্দ র্যালি করেছে জেলাবাসী। সোমবার (৩ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষ জড়ো হয়ে একটি আনন্দ র্যালি বের করে। র্যালিটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আবার শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়।
র্যালি শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, নীলফামারী সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ বাবু দেবী প্রষাদ রায়, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড মমতাজুল হক, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুজার রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান আরিফা সুলতানা, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মসফিকুল ইসলাম, ইটাখোলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাফিজুল রশিদ মঞ্জু।
এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন স্বাচিব সভাপতি ডা. মমতাজুর ইসলাম মিন্টু, ডায়াবেটিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডা. মুজিবুল হাসান চৌধুরী শাহিন, পিপি এ্যাড. অক্ষয় কুমার রায়, আমজাদ হোসেন প্রমুখ। এদিকে অভিনন্দন জানাতে আসেন জেলার বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থা, স্কুল কলেজের শত শত ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-কর্মচারী, ব্যানার, ফেষ্টুন ও প্লাকার্ড নিয়ে জড়ো হতে থাকেন শহীদ মিনার চত্তরে। সেখানে “শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ” করণের দাবিতে উল্লাস করে তারা।
উল্লেখ্য, নীলফামারী-ডোমার সড়কের নটখানা এলাকায় সরকারী কুষ্ট হাসপাতাল সংলগ্ন প্রায় ৫৪ একর জমির ওপর নীলফামারী মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হবে। অবকাঠামো নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত একই সড়কের পলাশবাড়ী এলাকায় নব নির্মিত নীলফামারী ডায়াবেটিক সমিতির হাসপাতালে নীলফামারী মেডিকেল কলেজের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। চলতি সেসনেই ৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবেন বলে সূত্রে জানা গেছে।
ইত্তেফাক/নূহু
