কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে বাড়ি ফেরার পথে দলের দুই কেন্দ্রীয় নেতাসহ ৩৩ জনকে আটক রেখেছে। সোমবার দুপুর ১২টার পর রাজধানীর হাইকোর্ট এলাকা, কদম ফোয়ারা, শিল্পকলা মোড় ও বিজয়নগর এলাকা থেকে শতাধিক নেতাকর্মীকে পুলিশ আটক করে। পরে বিএনপির সহ-জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল এবং নির্বাহী কমিটির সদস্য আবদুল মতিনসহ ৩৩ জনকে রেখে অন্যদের ছেড়ে দেয় রমনা, পল্টন ও শাহবাগ থানা পুলিশ।
এদিকে ডিএমপির রমনা বিভাগের ডিসি মারুফ হাসান সরদার ইত্তেফাককে জানান, ৩৩ জনকে রেখে অন্যদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। বিএনপি সূত্র জানায়, রমনা, শাহবাগ ও পল্টন থানার পুলিশ সোমবার বিপুল অংকের গ্রেফতার বাণিজ্য করেছে। আটককৃত অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মীর কাছ থেকে মাথা পিছু ৪০ থেকে ৬০ হাজার টাকা করে নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। তবে এইঅভিযোগ অস্বীকার করে থানা পুলিশ দাবি করেছে, আমাদের কাছে মামলার তালিকা আছে। যাদের নামে মামলা আছে, তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আর যাদের নামে মামলা নেই, তাদের যাচাই করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ জানান, রমনা থানায় আটক আছেন ৬০ জনের অধিক নেতাকর্মী। এ ছাড়া শাহবাগ থানায় আটক আছেন যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সিনিয়র সহ-সভাপতি শরিফ হোসেনসহ ৫০ জনের বেশি নেতাকর্মী। শরিফ হোসেনের মেয়ে শর্মী কেয়া বলেন, আমার বাবার হাইকোর্টে হাজিরা ছিল। তিনি আদালতে হাজিরা দিয়ে বের হওয়ার পর পুলিশ তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। আমার বাবা সব মামলায় জামিনে আছেন।
ইত্তেফাক/এমআই
