আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে যখন অবসর নিলেন, তার ব্যাটিং গড়ের পাশে লেখা হলো ৪৫.৩৫। টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রানের মালিক যারা, সেই তালিকায় পাঁচ নম্বরেই রয়েছে তার নাম। বলছিলাম অ্যালিস্টার কুকের কথা।
ইংল্যান্ডের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে যখন অভিষেক হয়েছিল তখন সেঞ্চুরি করেছিলেন কুক। শেষটাও হলো সেঞ্চুরি দিয়ে। ভারতের বিপক্ষে সোমবার ওভালে ১৪৭ রানের অসাধারণ এক ইনিংস উপহার দেন তিনি।
জীবনের শেষ ইনিংসে শতরান করার পর সাংবাদিক সম্মেলন এসে প্রথম প্রশ্নের উত্তরেই কুকের বলেন, এই চার দিন ছিল আমার জীবনের সব থেকে অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। আমার অনেক বন্ধুই এই কয়েকদিন আমাকে অভিবাদন জানিয়েছে, তবে আজ যা হল (শতরান) তা ভোলার নয়। শেষ কয়েকটা ওভারে দর্শকরা যেভাবে বার্মি আর্মি গান গাইলো, তা ছিল অবিশ্বাস্য রকম দারুণ।
সম্মেলন শেষে কুককে অভিনন্দন জানিয়ে তাকে বিদায়ী উপহার তুলে দেন এক সাংবাদিক। ইংল্যান্ডের হয়ে কুকের জীবনের ৩৩টি টেস্ট শতরানের উজ্জ্বল উপস্থিতিকে স্মরণীয় করে তার হাতে তুলে দেয়া হয় ৩৩ বোতল বিয়ার।
ভারতের বিপক্ষেই ২০০৬ সালের মার্চে নাগপুরে টেস্ট অভিষেক হয় কুকের। অভিষেকে করেছিলেন সেঞ্চুরি দিয়ে। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ১৬১ ম্যাচ খেলে ১২ হাজার ৪৭২ রান করেন তিনি। শতরান ৩৩টি। আর অর্ধশতরান রয়েছে ৫৭টি।
জীবনের প্রথম ও শেষ টেস্টে সেঞ্চুরি করা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে কুক পঞ্চম। এ তালিকায় প্রথম ব্যাটসম্যান অস্ট্রেলিয়ার রেজিনাল্ড ডাফ। তালিকায় দ্বিতীয় নামটি অস্ট্রেলিয়ারই উইলিয়াম পন্ফোসর্ড। তৃতীয় গ্রেগ চ্যাপেল। এরপর এ রেকর্ডটি মোহাম্মদ আজহারউদ্দিনের হাতে আসে। সবশেষ কুকের ঝুলিতে উঠে এই রেকর্ড।
ইত্তেফাক/জেডএইচ
