স্বজনপ্রীতির অভিযোগে ক্ষুব্ধ ইনজামাম

আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৯:২৩
স্বজনপ্রীতির অভিযোগটা ইনজামাম-উল-হকের জন্য নতুন কিছু নয়। ভাতিজা ইনাম-উল-হককে যখন জাতীয় দলে ডাকলেন, তখনই এই অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু ইনাম ক্যারিয়ারের প্রথম নয় ম্যাচে ৪ সেঞ্চুরি করে সমালোচকদের মুখ বন্ধ করেছেন এবং চাচাকে অভিযোগের হাত থেকে বাঁচিয়েছেন। এবার নতুন করে অভিযোগ উঠেছে যে, ছেলেকে অনূর্ধ্ব-১৯ দলে সুযোগ দেওয়ানোর চেষ্টা করছেন ইনজামাম।
 
এই অভিযোগ ওঠায় খুবই ক্ষুব্ধ হয়েছেন ইনজামাম। তিনি ব্যাপারটার তাৎক্ষণিক তদন্ত দাবি করেছিলেন। সেই সঙ্গে পাকিস্তান জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান এই ব্যাপারটা নিয়ে দেখা করেছেন নতুন পিসিবি সভাপতি এহসান মানির সঙ্গে। যতদূর জানা গেছে, মানি তার ওপর আস্থা রেখেছেন। সেই সঙ্গে ইনজামামকে আশ্বস্ত করেছেন যে, তারা এসব অভিযোগ আমলে নিচ্ছেন না।
 
পাকিস্তানি সংবাদ মাধ্যমে গত কয়েকদিন ধরেই এই অভিযোগ উঠছে যে, ইনজামাম তার অবস্থানের সুবিধা নিয়ে ছেলেকে যুব দলে ঢোকানোর জন্য তদবির করেছেন। এই অভিযোগ ওঠার পর ইনজামাম একটা ভিডিও বার্তায় সুনির্দিষ্টভাবে অভিযোগ খণ্ডন করেছেন। সেই সঙ্গে বলেছেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তিনি পদত্যাগ করবেন। আর সঙ্গে সঙ্গে তিনি যেসব লোক এই অভিযোগ তুলেছে, তাদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেছেন, তারা অভিযোগ প্রমাণ না করতে পারলে যেন শাস্তি মেনে নেয়। ইনজামাম একই সঙ্গে এই অভিযোগকারীদের বিপক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও ভাবছেন বলে জানা গেছে।
 
পুরো ব্যাপারটা শুরু হয়েছে সাবেক পাকিস্তানি গ্রেট আব্দুল কাদিরের সঙ্গে এক পাকিস্তানি সাংবাদিকের ‘অফ দ্য রেকর্ড’ আলোচনা থেকে। ওই সাংবাদিক দাবি করেছেন যে, কাদির তাকে বলেছেন অনূর্ধ্ব-১৯ দলের প্রধান নির্বাচক বাসিত আলীকে অনুরোধ করতে ফোন করেছিলেন ইনজামাম। তার অনুরোধ ছিল যে, ইনজামামের ছেলে ইবতাসাম-উল-হককে যেন যুব দলে নেওয়া হয়। বাসিত আলী অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, তার সঙ্গে ইনজামাম বা কাদির কারোরই এ ব্যাপারে কোনো আলাপ হয়নি।
 
এদিকে অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর ইনজামাম টুইটারে লিখেছেন, ‘আমি খুব দৃঢ়তার সঙ্গে এই ভিত্তিহীন ও নোংরা দাবি প্রত্যাখ্যান করছি। রেকর্ড রাখার জন্য বলছি, জুনিয়র নির্বাচক কমিটির কারো সঙ্গে আমার এ নিয়ে আলাপ হয়নি এবং এখানে সত্য বলে কিছু নেই। আমি এই ঘটনাটাকে খুব গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছি। আমি এ নিয়ে পিসিবি চেয়ারম্যানের সঙ্গে মিটিং করব এবং তাকে তদন্ত করতে বলব।’
ইত্তেফাক/এএম