এলজিআরডি ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ বলেছেন, সহসাই দলিত পঞ্চায়েতকে গ্রাম সালিশ ব্যবস্থায় স্বীকৃতি দানে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত নেয়া হবে। পঞ্চায়েত ব্যবস্থা চালু করা হলে দলিতদের সমস্যা সহজে সমাধান করা সম্ভব।
আজ বুধবার প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ‘দলিত সম্প্রদায়ের গ্রাম সালিশ কমিটি হিসেবে পঞ্চায়েতের স্বীকৃতি ও রাষ্ট্রের করণীয়’ বিষয়ক গোল টেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার গ্রাম আদালতের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষদের বিভিন্ন বিচার কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করছে। এতে সময়, অর্থ ও অহেতুক হয়রানি কমেছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় ১ কোটি দলিত জনগোষ্ঠীর সুষ্ঠু আবাসন, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও স্বাস্থ্যসহ মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে না পারলে দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, উন্নয়নের মূল ধারায় সমাজের অনগ্রসর জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করতে বর্তমান সরকার সামাজিক সুরক্ষার কার্যক্রম বৃদ্ধি করেছে।এর লক্ষ্যে বাজেটে ৬৪ হাজার ৬৫৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সরকারের নেয়া উদ্যোগের ফলে দলিতসহ সমাজের পিছিয়ে পড়া লাখ লাখ মানুষ উপকৃত হচ্ছেন।
বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘শারি’ ও ইউএনডিপি এই গোল টেবিল বৈঠকের আয়োজন করে। শারি’র নির্বাহী পরিচালক প্রিয় বালা বিশ্বাসের সভাপতিত্বে এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, গবেষক অধ্যাপক ড. মেজবাহ কামাল, ইউএনডিপি প্রতিনিধি তাছলিমা ইসলাম, সাংবাদিক সন্তোষ শর্মা, ব্যারিস্টার তাপস কুমার বল, দলিত নেতা রামানান্দ দাস ও রঞ্জন বকশী নুপুর। বাসস
ইত্তেফাক/কেকে
