আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দলের অন্যতম মুখপাত্র ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার আলেম সমাজের শত বর্ষের পুরোনো দাবি ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে। প্রত্যেক উপজেলায় দুইটি করে মক্তব প্রতিষ্ঠা করে প্রত্যেকটিতে পাচঁজন শিক্ষককে ১২ হাজার টাকা করে বেতন দিচ্ছে। ৭২ হাজার মসজিদ ভিত্তিক মক্তব প্রতিষ্ঠা করেছে। ৮০ হাজার আলেমকে প্রতিমাসে সাড়ে ৪ হাজার টাকা করে সরকারি ভাঁতা প্রদান করছে। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর শেখ হাসিনা ইমাম মুয়াজ্জিন কল্যান তহবিল গঠন করেছিলেন। প্রত্যেক উপজেলায় ১৫ কোটি টাকা সরকারি ব্যয়ে একটি করে মসজিদ হবে। সরকার কওমি মাদ্রাসার সনদের স্বীকৃতি প্রদান করেছেন। আর অন্যদিকে জিয়া এবং খালেদা জিয়া দুজনই ক্ষমতায় ছিল কিন্তু তারা প্রতি উপজেলায় তো নয়ই জেলাতেও একটি করে মসজিদ নির্মান করে নাই। প্রকৃতপক্ষে বিএনপি আলেম ওলামাদের জন্য কিছুই করে নাই।
বুধবার বায়তুল মোকাররম মসজিদের দ্বিতীয় তলায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত এবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষকদের ৫দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ওনাদের নেত্রীও ইসলামের অাশে পাশে ঠিকমতো নাই আর ওনারাও নাই। ওনারা ভোট এলেই শুধু কড়া মুসলমান হয়ে যান।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্টা করেছিলেন। মদ, জুয়া এবং হাউজি বন্ধ করে দিয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে তা চালু করে দিয়েছিল।
সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ফিলিস্তিনে মুসলমানদের গণহত্যা বন্ধ করার জন্য আমরা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে মানববন্ধন করেছি কিন্তু বিএনপির কোন মিছিল আমরা দেখি নাই। তারা মিছিল করে শুধু তত্বাবধায়ক সরকার আর নির্বাচন কমিশন নিয়ে। জনগণের জন্য তাদের কোন চিন্তা-ভাবনা নাই। শুধু কিভাবে ক্ষমতায় যাওয়া যায় এই নিয়েই তাদের চিন্তা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সচিব কাজী মো. নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক ড. হারুনুর রশিদ, আনিসুর রহমান সরকার, উপ-পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম, আবু বক্কর সিদ্দিক প্রমুখ।
ইত্তেফাক/নূহু
