রুশ সামরিক বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র কেনা নিয়ে চীনের সামরিক বাহিনীর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, এই ধরণের পণ্য ক্রয় রাশিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে রাশিয়ার ইউক্রেইন অধিগ্রহণ ও মার্কিন রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের অভিযোগের ওপর সেদেশ থেকে অস্ত্র ক্রয়-বিক্রয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।
সম্প্রতি রাশিয়ার কাছ থেকে ১০টি রুশ সুখোই সু-৩৫ যুদ্ধবিমান ও এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র কিনেছে চীন। এরপরই দেশটির সামরিক বাহিনীর ওপর নেমে এসেছে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে রাশিয়ার ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় যোগ দেয়নি বেইজিং। রাশিয়া ওই বছর ইউক্রেইন অধিগ্রহণ করলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশটির সম্পর্কের দ্রুত অবনতি ঘটে। এরপর ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের অভিযোগ ও সিরিয়ার চলমান যুদ্ধে সামরিক অংশগ্রহণ দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের আরো অবনতি ঘটিয়েছে।
চীনের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার মূলত, দেশটির ইকুয়িপমেন্ট ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্ট(ইডিডি) ও এর প্রধান লি শ্যাংফু’র ওপর কার্যকর হবে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় অস্ত্র রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান রোসোবোরোনেক্সপোর্টের সঙ্গে অর্থপূর্ণ লেনদেনের কারণে এই নিষেধাজ্ঞার শিকার হয়েছে ইডিডি ও লি।
মার্কিন ‘ব্লকড পার্সন’ তালিকায় যোগ করা হয়েছে লি ও ইডিডি’র নাম। এর মানে হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রে ইডিডি ও লি’র যত সম্পত্তি আচে তা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং এখন থেকে তাদের সঙ্গে মার্কিন নাগরিকেরা কোন ব্যবসা করতে পারবেন না।
এছাড়া, আমেরিকান অর্থনৈতিক সিস্টেম থেকে ইডিডি’র রপ্তানি বিষয়ক লাইসেন্সও বাতিল করা হয়েছে। লি ও ইডিডিসহ রুশ সামরিক ও গোয়েন্দা বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরো ৩৩ ব্যক্তির নাম কালো তালিকায় যোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। -বিবিসি
ইত্তেফাক/ জেআর
