গত ১০ বছরে যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১:৩৭
পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এমপি বলেছেন, ‘একটি দেশ অর্থনৈতিকভাবে অগ্রসর হওয়ার পূর্বশর্ত হল উন্নত যোগাযোগের ব্যবস্থা। যোগাযোগ ব্যবস্থার যতো উন্নত হবে দেশের সকল ক্ষেত্রে টেকসই উন্নয়ন অর্জিত হবে। যে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা যতোটা উন্নত সেই দেশের অর্থনৈতিক অবস্থাও ততোটা সমৃদ্ধ। তাই আওয়ামী লীগ সরকার গত ১০ বছরে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে ব্যাপক কাজ করেছে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগকে আবারও ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনতে হবে।
 
শনিবার জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার বক্সগঞ্জ মোহনপুরে কুমিল্লা (টমছমব্রিজ) থেকে নোয়াখালী (বেগমগঞ্জ) আঞ্চলিক মহাসড়ক চার লেন উন্নিতকরণ প্রকল্পের আওতায় টমছমব্রিজ হতে লালমাই পর্যন্ত অংশের নির্মাণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
 
মন্ত্রী বলেন, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের লাখ লাখ যাত্রী সড়ক পথে বেগমগঞ্জ চৌরাস্তা হয়ে লাকসাম কুমিল্লা সড়ক পথে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের উত্তরাঞ্চলে যাতায়াত করেন। এছাড়া প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন বেগমগঞ্জ-লাকসাম-কুমিল্লা সড়কে চলাচল করায় এর গুরুত্ব বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু বেগমগঞ্জ থেকে কুমিল্লা শহরের টমছমব্রিজ পর্যন্ত ৫৯ কিলোমিটার সড়ক বর্ধিত না হওয়ায় প্রতিনিয়ত যানজট ও সড়ক দুর্ঘটনা লেগে থাকে। এতে প্রতিদিন যাত্রীদের সময় ও অর্থ দু’টোর অপচয় ঘটছে। তাই নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থেকে টমছম ব্রিজ পর্যন্ত ৫৯ কিলোমিটার সড়ক চার লেনে উন্নীত করা অত্যন্ত জরুরি। এ প্রকল্পের জন্যে ২১৭০ কোটি টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে এবং ৫৯ কিলোমিটার চার লেন সড়ক নির্মাণ কাজের জন্য আগামী ২০২০ সালের জুন মাস নির্ধারণ করা হয়েছে।
 
মন্ত্রী আরও বলেন, কুমিল্লার অত্যন্ত ব্যস্ততম এলাকা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করে। ঢাকা-চট্টগ্রাম-ঢাকা এবং বরুড়া, চাঁদপুর, নোয়াখালী, লাকসাম এলাকার মানুষের কুমিল্লা শহরে ঢুকতে এবং শহরের মানুষের ঐসব এলাকাতে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র এটি। এখানে একটি ইউলুপ না থাকায় প্রতিদিন যাত্রী সাধারণকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মন্ত্রী সহসা এখানে একটি ইউলুপ নির্মাণের আশ্বাস দেন।
 
সড়ক ও মহাসড়ক অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদর দক্ষিণ উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ার, সওজ কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী মোফজ্জল হায়দার প্রমুখ।
 
ইত্তেফাক/বিএএফ