কবে লেখা হয়েছিল তা জানা নেই। তবে চিঠির ভিতরের বিষয়বস্তু এবং লেখকের নাম দু’টিই যথেষ্ট তাত্পর্যপূর্ণ। চরকা কাটার গুরুত্ব নিয়ে মোহনদাস কর্মচন্দ গান্ধীর লেখা এমনই এক চিঠি শিরোনামে। যুক্তরাষ্ট্রের এক নিলামঘরে তা বিক্রি হল ৬ হাজার ৩৫৮ ডলারে।
গুজরাটি ভাষায় লেখা ওই চিঠির নীচে রয়েছে স্বাক্ষরের বদলে মহাত্মা গান্ধীর লেখা, ‘বাপুর আশীর্বাদ’। জনৈক যশবন্ত প্রসাদের উদ্দেশে তা লিখেছেন তিনি। আমেরিকার অ্যারিজোনার নিলামঘর ‘আর আর অকশন’ একটি বিবৃতিতে ওই চিঠি নিলামের কথা জানিয়েছে।
চিঠিতে এক জায়গায় গান্ধী লিখেছেন, ‘চরকা নিয়ে আমরা যা আশা করেছিলাম, তাই হয়েছে’। আরেক এক লাইনে রয়েছে, যাই হোক, আপনি যা বলছেন, তাই সঠিক। সবকিছুই চরকার উপর নির্ভর করছে’। সে সময় দেশের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার প্রতীক হিসেবে চরকাকে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন গান্ধী। -আনন্দবাজার পত্রিকা
ইত্তেফাক/আরকেজি
