ঢামেকের বার্ন ইউনিটে চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে প্রতীকী অনশন

আপডেট : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৭:৪৭
ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করেছে বার্ন ইউনিটের অনিয়মিত ৬৮ জন কর্মচারী।
 
রবিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত  এই প্রতীকী অনশন পালন করেন। 
 
অনিয়মিত কর্মচারীদের পক্ষে একাত্বতা প্রকাশ করেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সমিতির নেতারা এবং নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। এ সময় হাসপাতালে বিভিন্ন সেকশনের কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। 
 
কর্মচারীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন, অনিয়মিত কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি জীবন মিয়া।
 
তিনি বলেন, বার্ন ইউনিটের ৬৮ জন অনিয়মিত কর্মচারীদের স্থায়ীভাবে নিয়োগ দিতে হবে। বার্ন ইউনিটে দীর্ঘ ১৫ বৎসর কাজ করার কারণে আমাদের সরকারি চাকরির জন্য বয়স ও যোগ্যতা শিথিল করে স্থায়ীভাবে ৬৮ জনকে নিয়োগ প্রদান করতে হবে।
 
ঢামেক হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির সভাপতি মো. আবু সাঈদ অনিয়মিত কর্মচারীদের সঙ্গে একাত্বতা ঘোষণা করে বলেন, ১৫ বছর ধরে তারা বিনা বেতনে কাজ করছে। তাদেরও পরিবার আছে। তাদের দীর্ঘ দিনের আশা চাকরি স্থায়ী হবে। এই আশায় তারা বার্ন ইউনিট কামড়ে ধরে আছে। আমি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলব, তারা যেন এই ৬৮ জন কর্মচারীর স্থায়ীকরণের ব্যবস্থা নেন।
 
দুপুরে ঢামেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিন, বার্ন ইউনিটের প্রধান অধ্যাপক সাজ্জাদ খন্দকার, বার্ন ইউনিটের সমন্বয়কারী ডা. সামন্ত লাল সেন ও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক ইনস্টিটিউশনের প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম কর্মচারীদের কাছে আসেন।
 
এ সময় সামন্ত লাল সেন বলেন, আগামী বুধবার পর্যন্ত কর্মচারীদের সময় দেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে কথা বলতে দুপুরেই যাবেন।
 
কর্মচারী জীবন মিয়া বলেন, কর্তৃপক্ষ তাদের বুধবার পর্যন্ত সময় দিয়েছেন। এ সময়ের মধ্যে তারা ব্যবস্থা নিবে। এই আশ্বাসে তারা আজকের মতো প্রতীকী অনশন শেষ করেন। এ সময় চতুর্থ শ্রেণির সভাপতি আবু সাঈদ কর্মচারীদের জুস খাইয়ে অনশন ভঙ্গ করেন।
 
জীবন মিয়া বলেন, বুধবার পর্যন্ত যদি তাদের দাবি মেনে না নেওয়া হয় পরবর্তীতে আবার বৃহত্তর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
 
ইত্তেফাক/এমআই