সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা রিথিংক আয়োজন করেছিল ভারতের শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পীদের সঙ্গীত আসরের। গতকাল রবিবার রাজধানীর গ্রীন রোডের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের এ আয়োজনে বাদ্যযন্ত্রের পরিবেশনা নিয়ে হাজির হন ভারতীয় শিল্পীরা। এতে সরোদ পরিবেশন করেন অর্ণব ভট্টাচার্য এবং তলবায় পরিবেশন করেন নিলীমেশ চক্রবর্তী। এতে দর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) জনগোষ্ঠী। রাজধানীতে হিজড়া সমপ্রদায়ের জীবনমান উন্নয়ন এবং সদাচারণ প্রশিক্ষণের লক্ষ্যে সমাজ সেবা অধিদপ্তর এবং রিথিংক যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে একজন হিজড়ার জন্য একটা স্বাভাবিক সামাজিক পরিবেশ সৃষ্টিতে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।
শেষ হলো এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী
শেষ হলো এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী। এ উপলক্ষে চিত্রশালা মিলনায়তনে সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নৃত্য পরিবেশনার মাধ্যমে সমাপনী আয়োজনের সূচনা হয়। মঙ্গল হোক এই শতকে মঙ্গল সবার—গানের সুরে তাল রেখে নেচে যায় শিল্পীরা। নাচ শেষে মঞ্চে আসেন অতিথিরা। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। আসাদুজ্জামান নূর বলেন, শিল্প-সংস্কৃতিকে এড়িয়ে মানবিক রাষ্ট্র গড়া সম্ভব নয়। এ কারণেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অজস্র সংকট মোকাবেলা করেও শিল্প-সংস্কৃতিকে তৃণমূলে ছড়িয়ে দেয়ার প্রেরণা দিয়েছেন।
গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয় ১৮তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী। স্বাগতিক বাংলাদেশসহ আয়োজনে অংশ নিয়েছে ৬৮টি দেশ। প্রদর্শিত হয়েছে দেশি-বিদেশি শিল্পীদের মোট ৩৬৮টি পেইন্টিং, প্রিন্ট ও ফটোগ্রাফি, ৩৩টি ভাস্কর্য, ৫২টি ইলাস্ট্রেশন আর্ট এবং ৩০ জন পারফর্মেন্স আর্টিস্টের শিল্পনৈপুণ্য প্রদর্শনী। সব মিলিয়ে দেশি-বিদেশি ৪৬৫ শিল্পীর ৫৮৩টি শিল্পকর্ম উপস্থাপিত হয়েছে প্রদর্শনীতে।
ইত্তেফাক/আরকেজি
