জাতীয় ঐক্যের আন্দোলনে সামনে থাকবে বিএনপি: নজরুল

আপডেট : ০১ অক্টোবর ২০১৮, ১৯:৩০
বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের আন্দোলনে বিএনপি সামনের কাতারে থাকবে বলে জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ২০ দলীয় জোটের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম খান। 
 
তিনি বলেন, আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়া ২০১৬ সালে বৃহত্তর ঐক্যের ডাক দিয়েছিলেন। তিনি যে পয়েন্টগুলো দিয়েছিলেন এখন দেখছি আমাদের বাম রাজনৈতিক দলগুলো, যুক্তফ্রন্ট ও ড. কামাল হোসেনের ঐক্য প্রক্রিয়া সেই একই দাবি করেছেন। এই সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে, সংসদ বাতিল করতে হবে, ইভিএম করা যাবে না, নির্বাচনের আগে ও পরে সেনা মোতায়েন করতে হবে এই দাবিগুলো খালেদা জিয়া বৃহত্তর ঐক্যের ডাকে বলেছিলেন। আর যাদের সঙ্গে আমাদের দাবি এক তাদের সঙ্গে মিলে লড়াই আমরা অবশ্যই করতে পারবো। আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে বলেছি- আমরা শুধু বৃহত্তর ঐক্যে রাজি নই, বৃহত্তর ঐক্যের আন্দোলনে আমরা সামনের কাতারে থাকবো।
 
সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে সম্মিলিত ছাত্র ফোরামের উদ্যেগে আয়োজিত বিএনপির যুগ্মমহাসচিব হাবিব উন নবী সোহেল ও যুবদল সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর মুক্তির দাবিতে এক সভায় এ কথা বলেন তিনি।
 
নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিএনপির স্মরণকালের বৃহত্তম জনসভা দেখে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের হতাশ হয়েছেন, কারণ তারা চিন্তাও করতে পারেনি এতো অল্প সময়ের মিটিংয়ে এতো মানুষ হবে, হতাশ হওয়ারই কথা। আওয়ামী লীগের সমাবেশ নিয়ে ৭দিন ধরে তারা প্রস্তুতি নেয়। বিশাল সাইজের প্যান্ডেল করে। ওপরে ত্রিপল, নীচে কার্পেট, সামনে সোফা, পিছনে চেয়ার। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, মসজিদের ইমাম, সরকারি কর্মচারীদের নিয়ে আসেন। এতকিছু করার পর যেই মানুষ হয়, আর আমাদের মাত্র ২৪ ঘণ্টার নোটিশে যে পরিমান মানুষ হয় তা দেখে হতাশ হওয়াই স্বাভাবিক। হতাশার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। বিএনপির সমাবেশে জনতার উপচে পড়া ঢেউ দেখে আওয়ামী লীগ নেতা প্রলাপ বকছেন।
 
বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, কাদের সাহেবের বক্তব্য শুনে বাড়ির বউয়েরাও হাসে। সরকার নিশ্চয়ই রবিবার একটা মেসেজ পেয়েছেন, জনগণ তাদের সঙ্গে নেই। জনগণ আমাদের সঙ্গে একত্বতা প্রকাশ করতেই আমাদের সমাবেশে জড়ো হয়েছে। 
 
তিনি বলেন, দুই মাসের মধ্যেই আওয়ামী লীগ বিদায় নেবে। ইতোমধ্যে আমরা জানতে পেরেছি আওয়ামী লীগের নেতাদের ভিসা পাসপোর্ট রেডি। তারা পালানোর জন্য প্রস্তুত হয়ে গেছে।
 
ইত্তেফাক/এমআই