কাকে কোথায় রাখতে হবে দলনেত্রী তা ভাল বোঝেন: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০১৮, ২১:২২
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘কে মনোনয়ন পাবে আর কে পাবে না, তা একমাত্র শেখ হাসিনা ছাড়া কেউ জানেনা। কারণ কাকে কোন জায়গায় রাখতে হবে দলনেত্রী তা ভাল বোঝেন। তবে মনোনয়ন যেই পান, তিনি শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থী। কাজেই নৌকার প্রতি সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যার প্রার্থীকেই ভোট দিন এবং বিজয়ী করুন। কারণ সামনের নির্বাচন খুব কঠিন হবে। এই নির্বাচনে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বিএনপি অনেক ষড়যন্ত্র করবে।’
 
সোমবার বিকেলে গাজীপুরের কালীগঞ্জে চুপাইর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সমাজ সেবক, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আত্মদানকারী জাতীয় বীর শহীদ ময়েজউদ্দিন আহমেদের ৩৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামী লীগ কর্তৃক আয়োজিত স্মরণসভায় তিনি এ সব কথা বলেন।
 
মন্ত্রী বলেন, ‘সমুদ্রের গভীরতা মাপা সম্ভব হলেও জাতির জনকের ভালবাসার গভীরতা মাপা ছিল অসম্ভব। তারই কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনিই হবেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান। আর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব হচ্ছে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা।’ 
 
তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘আগরতলা মিথ্যা মামলা দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে চিরতরে শেষ করে দেওয়ার চিন্তা ছিল। আর বঙ্গবন্ধুকে রক্ষা করতে সেই দিন শহীদ ময়েজউদ্দিন চারণের মত সারাদেশে ঘুরে বেড়িয়েছেন। বঙ্গবন্ধু তখন জেলে। সেই অবস্থায় ময়েজ উদ্দিনের নেতৃত্বে ফান্ড তৈরি করে আগরতলা মিথ্যা মামলা পরিচালনার ভার নেন তিনি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ভাঙ্গা দলকে জোড়া দিয়ে যারা সু-সংগঠিত করেছেন শহীদ ময়েজউদ্দিন তাদের মধ্যে অন্যতম। ওইদিন কেউ ছিলনা বিধায় দলের প্রতি নিবেদিত হয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। আর এ জন্য তিনি ঘাতকের হামলায় শহীদ হন।’
 
মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এবং কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি এমপি’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গণি ভূঁইয়ার পরিচালনায় স্মরণসভায় বক্তব্য দেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আখতারউজ্জামান, তাঁতি লীগের সাধারণ সম্পাদক খগেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ, যুবলীগের সদস্য অধ্যাপক আমজাদ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন সবুজ, কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোয়াজ্জেম হোসেন পলাশ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস.এম নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
 
ইত্তেফাক/বিএএফ