হাতের চিকিৎসা করাতে এখন অস্ট্রেলিয়া আছেন সাকিব আল হাসান। তার হাতে যেভাবে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছিলো, তাতে ঢাকাতেই চিকিৎসায় আরেকটু দেরি হলে হাত নষ্ট হয়ে যেতে পারতো। এখন সেই ঝুঁকি কেটে গেলেও সাকিব যে লম্বা একটা সময়ের জন্য মাঠের বাইরে চলে গেলেন, তাতে সন্দেহ নেই।
এই পুরো ব্যাপারটা কার গাফিলতিতে ঘটেছে, সেটা এখন বড় একটা প্রশ্ন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও মঙ্গলবার বললেন, কিভাবে এতো দ্রুত এই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লো, তার কারণ বের করতে চান তারা।
সাকিবের প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পাপন বললেন, ‘ও খেলতে গিয়ে ব্যথা পেত তাহলে বুঝতাম। তাহলে এরকম হলো কী করে? হঠাৎ করে হাতে এমন পুঁজ হলো কী করে। এটা আমাদের কাছে বিরাট প্রশ্ন। এখন ইনফেকশন কন্ট্রোলে আছে। এটা সাকিবের কথা, ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলি নাই। এর মধ্যে আমি দেবাশীষকে ফোন করি। আমরা সবাই এটা নিয়ে বেশ অবাক। এক দিনের মধ্যে এত পুঁজ, এত সিরিয়াস হলে কী করে। ওয়েস্ট ইন্ডিজে ইনজেকশন দিয়েছে, এখন ওই ইনজেকশনের জন্য হলো কি না জানি না। আগে থেকে একটু থাকলে স্টেরয়েডের জন্য বাড়তে পারে। কিন্তু সেটাও বলা যাচ্ছে না।’
একটা সাধারণ ধারণা তৈরি হয়েছে যে, সাকিবকে এশিয়া কাপ খেলতে বাধ্য করা হয়েছে এই ইনজুরি নিয়ে। কিন্তু বোর্ড সভাপতি পরিষ্কার বললেন, সাকিব ফিজিওর সঙ্গে কথা বলে নিজেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এশিয়া কাপ খেলার, ‘আমাকে ও বলেছে, আঙুলের জন্য আমার এই সমস্যা। আমি বলেছি, তুমি ডাক্তারের সঙ্গে দেখা কর। এমন যদি হয়, এখন না করলেও চলবে।’
ফিজিও যে সাকিবকে আশ্বস্ত করেছেন, সেটা সাকিব বোর্ড সভাপতিকে একাধিকবার বলেছেন। খেলার এই সিদ্ধান্তটা সাকিব, বিসিবির চিকিৎসক ও ফিজিও মিলে নিয়েছেন বলে জানান পাপন।
ইত্তেফাক/জেডএইচ
